মার্কিন-ইরান চুক্তিতে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তহবিলের পরিকল্পনা
মেলবোর্ন, ১৭ জুন- যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে আলোচিত কাঠামোগত চুক্তির অংশ হিসেবে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল বেসরকারি বিনিয়োগ তহবিল গঠনের…
মেলবোর্ন, ১৪ এপ্রিল- মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে অপরিশোধিত তেলের সংকটে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)-এর উৎপাদন কার্যক্রম কার্যত বন্ধের পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে সরকার বলছে, ডেড স্টক ব্যবহার করে সীমিতভাবে কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর থেকে বাংলাদেশে নতুন করে কোনো ক্রুড অয়েলের চালান পৌঁছায়নি। সর্বশেষ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আসা একটি চালানের তেল দিয়েই এতদিন শোধন কার্যক্রম চলছিল।
এই মজুত ফুরিয়ে আসায় সোমবার বিকালের পর থেকে ইআরএলের উৎপাদন কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। তবে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়-এর কর্মকর্তারা বলছেন, এটিকে পুরোপুরি বন্ধ বলা যাবে না।
মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (অপারেশন) মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, “ডেড স্টক দিয়ে কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। নতুন করে ক্রুড অয়েল আমদানির প্রক্রিয়া চলছে।”
এর আগে মার্চ মাসে সৌদি আরব থেকে এক লাখ টন ক্রুড অয়েলের একটি চালান আসার কথা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তা বিলম্বিত হয়। জানা গেছে, সৌদি আরামকো থেকে নতুন করে তেল আমদানির জন্য ঋণচুক্তি করা হয়েছে, যা আগামী মাসে দেশে পৌঁছাতে পারে।
এদিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-এর কর্মকর্তারা বলছেন, দেশের জ্বালানি চাহিদা মূলত আমদানিকৃত পরিশোধিত তেলের মাধ্যমে পূরণ করা হচ্ছে। ফলে আপাতত বাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা নেই।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে ক্রুড অয়েল সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে দেশের জ্বালানি খাতে চাপ বাড়তে পারে। তবে সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au