ভারতে লাফিয়ে বাড়ল স্বর্ণ ও রুপার দাম
মেলবোর্ন, ১৩ মে- ভারতে স্বর্ণ ও রুপার আমদানি শুল্ক বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্তের পর দেশটির বাজারে মূল্যবান এই দুই ধাতুর দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা গেছে।…
মেলবোর্ন, ১৩ মে- ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় দ্রুত বাড়ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, যুদ্ধ ও সামরিক প্রস্তুতিতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে। এতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে।
মঙ্গলবার ক্যাপিটল হিলে বাজেট শুনানিতে পেন্টাগনের অর্থ প্রধান জুলস হার্স্ট জানান, মাত্র দুই সপ্তাহ আগেও এই ব্যয়ের পরিমাণ ছিল প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এই ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত অস্ত্র মেরামত, নতুন অস্ত্র প্রতিস্থাপন, সামরিক অভিযান পরিচালনা এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যয়।
তবে এই হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ডেমোক্র্যাট নেতারা। তাদের অভিযোগ, প্রকৃত ব্যয় আরও অনেক বেশি এবং ইরানের পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের যে সামরিক ক্ষতি হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ হিসাব এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
শুনানিতে ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য রোজা ডেলাউরো প্রশ্ন তোলেন, “এই যুদ্ধ থেকে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র কী অর্জন করেছে এবং এর প্রকৃত মূল্য কত?” তিনি বলেন, যুদ্ধের আর্থিক বোঝা নিয়ে জনগণের সামনে পরিষ্কার তথ্য তুলে ধরা জরুরি।
এদিকে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি “লাইফ সাপোর্টে” রয়েছে এবং যেকোনো সময় নতুন করে বড় সংঘাত শুরু হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে ট্রাম্প প্রশাসনের যুদ্ধনীতি নিয়েও তীব্র বিতর্ক চলছে। ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়াই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। যদিও রিপাবলিকানরা প্রশাসনের অবস্থানকে সমর্থন দিয়ে আসছে।
ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্ক কেলি সতর্ক করে বলেছেন, টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ও প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের মতো গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রের মজুদ দ্রুত কমে যাচ্ছে। এসব পুনরায় উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে বলেও জানান তিনি।
এদিকে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের ধারণা, যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় কয়েক হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে পেন্টাগন এখনো পূর্ণাঙ্গ ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ না করায় পুরো পরিস্থিতি স্পষ্ট নয়।
অন্যদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন বিমান হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে। যদিও মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের পূর্ণ পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনে এখনো প্রায় এক দশক সময় লাগতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au