ভারতে লাফিয়ে বাড়ল স্বর্ণ ও রুপার দাম
মেলবোর্ন, ১৩ মে- ভারতে স্বর্ণ ও রুপার আমদানি শুল্ক বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্তের পর দেশটির বাজারে মূল্যবান এই দুই ধাতুর দামে বড় ধরনের উল্লম্ফন দেখা গেছে।…
মেলবোর্ন, ১৩ মে- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপ ক্রমেই বাড়ছে। ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির ৮০ জনের বেশি সংসদ সদস্য মনে করছেন, স্টারমার দেশ পরিচালনা ও পরবর্তী নির্বাচন জয়ের জন্য উপযুক্ত নন। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ শুরু হয়নি, তবুও ব্রিটিশ রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে, স্টারমারের জায়গায় ভবিষ্যতে কে আসতে পারেন।
সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের তালিকায় সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি ওয়েস স্ট্রিটিং। বর্তমানে তিনি স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার বড় সংস্কার উদ্যোগের কারণে তিনি আলোচনায় রয়েছেন। মধ্যপন্থী রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত স্ট্রিটিং প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানো এবং অর্থনৈতিক মিতব্যয়িতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তরুণ নেতৃত্ব ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার কারণে তিনি লেবারের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে শক্তিশালী দাবিদার হতে পারেন।
আরেক আলোচিত নাম অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তিনি বর্তমানে ম্যানচেস্টারের মেয়র এবং লেবার পার্টির মধ্য-বাম ঘরানার অন্যতম জনপ্রিয় মুখ। যদিও এখন তিনি সংসদ সদস্য নন, তবুও দলীয় তৃণমূল ও শ্রমিকঘনিষ্ঠ রাজনীতিতে তার প্রভাব এখনও শক্তিশালী। স্টারমারের মধ্যপন্থী অবস্থানের সমালোচক অনেক নেতা-সমর্থকের কাছেও বার্নহ্যাম জনপ্রিয়।
লেবারের সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রেইনারকেও সম্ভাব্য নেতৃত্বপ্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। শ্রমিক ইউনিয়নপন্থী রাজনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ রেইনার সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে পরিচিত। তবে সম্পত্তি কেনাবেচা ও করসংক্রান্ত বিতর্কে জড়িয়ে পদত্যাগ করায় তার নেতৃত্বের সম্ভাবনা কিছুটা দুর্বল হয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
এদিকে জ্বালানি মন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডও আলোচনায় রয়েছেন। তিনি এর আগে ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত লেবার পার্টির নেতা ছিলেন। বর্তমানে স্টারমার সরকারের ‘নেট জিরো’ জলবায়ু নীতির অন্যতম প্রধান মুখ তিনি। যদিও মিলিব্যান্ড আগেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনি আবার নেতৃত্বে ফিরতে খুব বেশি আগ্রহী নন।
সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের তালিকায় নতুন আলোচিত মুখ শাবানা মাহমুদ। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এই ব্রিটিশ রাজনীতিক বর্তমানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কঠোর অভিবাসন নীতির পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় তিনি দলটির ডানপন্থী অংশে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। তবে বামপন্থী সমর্থকদের একটি অংশ তার অবস্থানের সমালোচনা করছে।
এছাড়া সাবেক সেনাসদস্য ও জুনিয়র প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আল কার্নসকেও নতুন প্রজন্মের সম্ভাব্য নেতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আফগানিস্তান যুদ্ধের অভিজ্ঞ এই রাজনীতিক তরুণ এমপিদের মধ্যে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, স্টারমারের নেতৃত্ব এখনই সরাসরি হুমকির মুখে না পড়লেও দলের ভেতরে অসন্তোষ বাড়তে থাকলে লেবার পার্টিতে বড় ধরনের নেতৃত্ব পরিবর্তনের আলোচনা আরও জোরালো হতে পারে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au