কেন হিন্দু নাম ফিরিয়ে আনছে পাকিস্তান?
মেলবোর্ন, ১৮ মে- পাকিস্তানে লাহোরে পুরোনো হিন্দু ও ঐতিহাসিক নাম ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। পাঞ্জাব প্রাদেশিক সরকারের উদ্যোগে শহরের একাধিক এলাকার নাম…
মেলবোর্ন, ১৭ মে- ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ সরকার জনসংখ্যা নীতিতে বড় পরিবর্তন এনে দুইয়ের বেশি সন্তান নেওয়া পরিবারকে নগদ অর্থসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন. চন্দ্রবাবু নাইডু জানিয়েছেন, জন্মহার কমে যাওয়ার প্রবণতা ঠেকাতে এবং ভবিষ্যতের জনসংখ্যাগত ভারসাম্য বজায় রাখতে এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত শনিবার শ্রীকাকুলাম জেলার তামরাপল্লি গ্রামে আয়োজিত এক জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা দেন, কোনো পরিবার তৃতীয় সন্তান নিলে এককালীন ৩০ হাজার রুপি এবং চতুর্থ সন্তান হলে ৪০ হাজার রুপি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
ভারতের মতো জনবহুল দেশে যেখানে দীর্ঘদিন ধরে পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের নীতি অনুসরণ করা হয়েছে, সেখানে বেশি সন্তান নেওয়ার জন্য উৎসাহমূলক এই সিদ্ধান্ত নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
রাজ্য সরকারের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, অন্ধ্র প্রদেশে বর্তমানে জন্মহার দ্রুত কমে যাচ্ছে এবং একই সঙ্গে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। এতে ভবিষ্যতে শ্রমশক্তির সংকট ও অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সরকারি তথ্য বলছে, ১৯৯৩ সালে অন্ধ্র প্রদেশের মোট প্রজনন হার ছিল ৩। বর্তমানে তা কমে প্রায় ১ দশমিক ৫-এ নেমে এসেছে। অথচ জনসংখ্যার ভারসাম্য বজায় রাখতে আদর্শ প্রজনন হার হওয়া উচিত ২ দশমিক ১।
মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু সতর্ক করে বলেন, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে অন্ধ্র প্রদেশও ভবিষ্যতে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইতালির মতো জনসংখ্যা সংকটে পড়তে পারে। এসব দেশে কম জন্মহার এবং বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় অর্থনীতি ও সামাজিক ব্যবস্থায় বড় চাপ তৈরি হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, শুধু নগদ সহায়তাই নয়, তৃতীয় সন্তান নেওয়া পরিবারকে আরও বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচ বছর পর্যন্ত প্রতি মাসে ১ হাজার রুপি পুষ্টি ভাতা এবং শিশুর ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত বিনা মূল্যে শিক্ষার সুবিধা।
এ ছাড়া মাতৃত্ব ও পিতৃত্বকালীন ছুটির সময় বাড়ানোর বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, মায়েদের জন্য ১২ মাস পর্যন্ত মাতৃত্বকালীন ছুটি এবং বাবাদের জন্য প্রায় দুই মাসের ছুটির ব্যবস্থা করা হতে পারে।
সরকারের আশা, এসব উদ্যোগ জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং ভবিষ্যতে রাজ্যের জনসংখ্যাগত ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au