কেন হিন্দু নাম ফিরিয়ে আনছে পাকিস্তান?
মেলবোর্ন, ১৮ মে- পাকিস্তানে লাহোরে পুরোনো হিন্দু ও ঐতিহাসিক নাম ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। পাঞ্জাব প্রাদেশিক সরকারের উদ্যোগে শহরের একাধিক এলাকার নাম…
মেলবোর্ন, ১৮ মে- বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের বিপুল উপস্থিতির কারণে প্রযুক্তি জায়ান্ট মেটা প্রতি বছর প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা আয় করছে বলে দাবি করেছেন দেশের টেলিকম খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘টেলিকম খাতে নতুন সরকারের ভিশন’ শীর্ষক এক সেমিনারে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
সেমিনারের আয়োজন করে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি)। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি সমীর কুমার দে। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মোবাইল অপারেটর রবির রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান সাহেদ আলম।
সেমিনারে সাহেদ আলম বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৭ কোটি ৩০ লাখ মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করছেন। মেটা প্রতিটি ব্যবহারকারীর কাছ থেকে গড়ে ১৫ ডলার আয় করে থাকে। সেই হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে প্রতিষ্ঠানটির মোট বার্ষিক আয় প্রায় ৭০ কোটি মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার সমান।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ আয় করলেও দেশের অর্থনীতি বা টেলিযোগাযোগ খাতে মেটার দৃশ্যমান অবদান খুবই সীমিত। ফলে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়, কর কাঠামো এবং স্থানীয় বিনিয়োগ নিয়ে নতুনভাবে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, সরকার দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।
মন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ফাইভ-জি প্রযুক্তিকে শুধু শহরেই সীমাবদ্ধ রাখা হবে না, বরং গ্রামীণ পর্যায়েও পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর টেলিযোগাযোগবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ, বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী, টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল মাবুদ চৌধুরী, ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল কবীর, বুয়েটের অধ্যাপক ড. লুৎফা আক্তার, বাংলালিংকের রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান তাইমুর রহমানসহ টেলিকম খাতের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au