কেন হিন্দু নাম ফিরিয়ে আনছে পাকিস্তান?
মেলবোর্ন, ১৮ মে- পাকিস্তানে লাহোরে পুরোনো হিন্দু ও ঐতিহাসিক নাম ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। পাঞ্জাব প্রাদেশিক সরকারের উদ্যোগে শহরের একাধিক এলাকার নাম…
মেলবোর্ন, ১৮ মে- ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের তুমাকুরু জেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার নিজের বাবার বিরুদ্ধে। এক মাসের বেশি সময় নিখোঁজ থাকার পর পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের তথ্য।
নিহত কিশোরীর নাম মেঘনা। তিনি শিরা তালুকের নিম্বে মারাডাহাল্লি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেঘনার বাবা থিম্মারায়াপ্পা মেয়েকে হত্যার কথা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।
পুলিশ জানায়, গত ১৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় দিনমজুরির কাজ শেষে বাড়ি ফিরে মেয়েকে না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন মেঘনার মা নির্মলা। পরে তিনি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। একই সময়ে মেঘনার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।
তদন্তে জানা যায়, মেঘনার বিয়ে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিবারে বিরোধ চলছিল। মেঘনার বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে আত্মীয়ের এক ছেলের সঙ্গে তার বিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন মা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা। এমনকি বিয়ের জন্য শাড়ি ও মঙ্গলসূত্রও কেনা হয়েছিল।
কিন্তু বাবা থিম্মারায়াপ্পা এই বিয়ের তীব্র বিরোধিতা করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে পরিবারে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। ঘটনার আগের দিনও পরিবারের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনার পরদিনই মেঘনা নিখোঁজ হন এবং একই সময়ে তার বাবাও বাড়ি ছেড়ে চলে যান। এতে তদন্তকারীদের সন্দেহ আরও গভীর হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে থিম্মারায়াপ্পা স্বীকার করেন, তিনি প্রথমে মেয়েকে একটি কুয়ার মধ্যে ফেলে দেন। পরে তাকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করেন। এরপর কুয়া থেকে মরদেহ তুলে নির্জন স্থানে গোপনে দাফন করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, হত্যার পর সন্দেহ এড়াতে অভিযুক্ত নিজেই স্ত্রীর সঙ্গে থানায় গিয়ে নিখোঁজ ডায়েরি করতে সহায়তা করেছিলেন।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পুলিশ বলছে, হত্যার পেছনে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও বিয়ে নিয়ে মতবিরোধই মূল কারণ কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং পুরো ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au