২৪ ঘণ্টায় বাংলাদেশে ৩ শিশু ধর্ষণ, একজনকে ধর্ষণের পর হত্যা
মেলবোর্ন, ২১ মে- রাজধানীর পল্লবীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নারীশক্তি। সংগঠনটি বলেছে, গত…
মেলবোর্ন, ২১ মে- বাংলাদেশে সম্ভাব্য টিকা সংকট নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক শিশু সংস্থা ইউনিসেফ। সংস্থাটির মতে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অন্তত পাঁচটি চিঠি পাঠানো হয় এবং প্রায় ১০টি বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বুধবার (২০ মে ২০২৬) দুপুরে ইউনিসেফ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স। তিনি বলেন, টিকা সংগ্রহের প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনার কারণে সময়মতো দেশে টিকা পৌঁছাতে দেরি হয়েছে।
রানা ফ্লাওয়ার্স জানান, ইউনিসেফের পক্ষ থেকে সরকারের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে যোগাযোগ রাখা হয়েছিল এবং টিকা মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থার ঝুঁকি সম্পর্কে আগেই সতর্ক করা হয়। তবে তিনি একই সঙ্গে জানান, ইতিবাচক দিক হলো ইতোমধ্যে ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি শিশু হামের টিকা পেয়েছে এবং পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আসছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, টিকা–সংকট ও হামের কারণে শিশুমৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে সরকার যে তদন্ত শুরু করেছে, ইউনিসেফ তাকে স্বাগত জানায় এবং প্রয়োজনে সহযোগিতা করার আগ্রহও প্রকাশ করে।
তিনি বলেন, টিকা সংগ্রহে উন্মুক্ত টেন্ডার পদ্ধতি অনুসরণ করা হলেও প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে প্রায় এক বছর সময় লাগে। তাই জরুরি পরিস্থিতিতে ইউনিসেফের মাধ্যমে দ্রুত টিকা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়।
সরকারি ও আন্তর্জাতিক সূত্র অনুযায়ী, চলতি বছর বাংলাদেশে হামের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং শিশুদের মধ্যে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি ও সময়মতো সরবরাহ ব্যাহত হওয়াই এই পরিস্থিতির একটি বড় কারণ হতে পারে।
ইউনিসেফের কর্মকর্তারা বলেন, ভবিষ্যতে এমন সংকট এড়াতে টিকা সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল ও পূর্বনির্ধারিত রাখতে হবে, যাতে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো যায়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au