ইরানি হামলায় সব ফ্লাইট বাতিল করল ইজিপ্টএয়ার
মেলবোর্ন, ৪ জুন- কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় দুই দিনের সব ফ্লাইট বাতিল করেছে মিসরের রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা…
মেলবোর্ন, ৩ জুন- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সমর্থিত নতুন আর্থিক কর্মসূচির জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে বাংলাদেশ। দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচিকে এগিয়ে নিতে এবং বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই নতুন সহায়তা চেয়েছে সরকার।
বুধবার এক বিবৃতিতে আইএমএফের বাংলাদেশ মিশন প্রধান আইভো ক্রজনার জানান, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ নতুন একটি আইএমএফ আর্থিক ব্যবস্থা বা ঋণ কর্মসূচির অনুরোধ করেছে। এ বিষয়ে সরকারের সংস্কার পরিকল্পনা, নীতিগত অগ্রাধিকার এবং সম্ভাব্য কর্মসূচির কাঠামো নিয়ে আইএমএফ কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু করেছেন।
আইভো ক্রজনার বলেন, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে অনুমোদিত এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি (ইসিএফ), এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি (ইএফএফ) এবং রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটি (আরএসএফ) কর্মসূচিগুলো কঠিন সময়ে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সহায়তা হিসেবে কাজ করেছে। তবে ওই কর্মসূচি অনুমোদনের পর দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং রাজস্ব আহরণের নিম্ন হার বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সংস্কার কার্যক্রম প্রয়োজন।
আইএমএফের মতে, নতুন কর্মসূচির অনুরোধ বাংলাদেশের বর্তমান বাস্তবতা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের অগ্রাধিকারকে সামনে রেখে একটি নতুন সংস্কারভিত্তিক কাঠামো তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তবে নতুন কোনো ঋণ কর্মসূচি অনুমোদনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের প্রয়োজন, সরকারের দৃঢ় নীতিগত প্রতিশ্রুতি এবং বিশ্বাসযোগ্য সংস্কার পরিকল্পনা বিবেচনায় নেওয়া হবে। পাশাপাশি আইএমএফের নির্বাহী পর্ষদের অনুমোদনও প্রয়োজন হবে।
আইএমএফ জানিয়েছে, শিগগিরই একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করবে। সফরকালে তারা দেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে, সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনা করবে এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও সংস্কার চ্যালেঞ্জ মূল্যায়ন করবে।
এরপর সম্ভাব্য নতুন কর্মসূচির আকার, ঋণের পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্কার শর্তাবলি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হবে।
বিবৃতিতে আইভো ক্রজনার আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, অর্থনীতির সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের পাশে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আইএমএফ। এ লক্ষ্যে সরকার ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au