ভারতে আন্দোলনের মধ্যেই আরও দুই পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, পরীক্ষা বাতিল
মেলবোর্ন, ২৪ জুলাই: ভারতে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা (নিট) প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দেশজুড়ে আন্দোলন চলার মধ্যেই নতুন করে আরও দুটি বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে। এ…
মেলবোর্ন, ২৩ জুলাই: অস্ট্রেলিয়ার বন্ডাই সন্ত্রাসী হামলার তদন্তকে ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। হামলার সন্দেহভাজনদের সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকার দাবি করা অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এএসআইও)-এর এক সাবেক সূত্রকে দেশে প্রবেশের ভিসা না দেওয়ায় সরকারের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধী দল কোয়ালিশন এবং গ্রিনস উভয়েই বলেছে, সরকারের এমন সিদ্ধান্ত যেন তদন্ত কমিশনের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত না করে।
অস্ট্রেলীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, “মার্কাস” ছদ্মনামে পরিচিত ওই সাবেক গোয়েন্দা সূত্র দাবি করেছেন, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বন্ডাইয়ে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার প্রায় ছয় বছর আগেই তিনি হামলার সন্দেহভাজনদের বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজেশন (এএসআইও)-কে সতর্ক করেছিলেন।
মার্কাস বর্তমানে বিদেশে বসবাস করছেন। ২০২৩ সালে এএসআইও তার স্থায়ী বসবাসের আবেদন থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করার পর তিনি অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে যান। পরে বর্ণবাদবিরোধী ও সামাজিক সম্প্রীতি বিষয়ক রয়্যাল কমিশনের একটি চিঠি সংযুক্ত করে তিনি অস্ট্রেলিয়ার ভিসার আবেদন করেন। চিঠিতে কমিশন জানিয়েছিল, তারা মার্কাসের সাক্ষ্য গ্রহণে আগ্রহী এবং তার তথ্য তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
তবে অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে। কর্তৃপক্ষ জানায়, আবেদনকারী সাময়িকভাবে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করবেন, এমন বিষয়ে তারা সন্তুষ্ট হতে পারেনি। ফলে তাকে ভিসা দেওয়া হয়নি।

বন্ডি সন্ত্রাসী হামলা।
এ ঘটনায় বিরোধীদলীয় স্বরাষ্ট্রবিষয়ক মুখপাত্র জনাথন ডুনিয়াম সরকারের সমালোচনা করে বলেন, তদন্ত কমিশনের প্রয়োজনীয় সব তথ্য পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে মার্কাস ভিডিও লিংকের মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে পারেন। তবে যদি সরাসরি উপস্থিত হওয়া জরুরি হয় এবং নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়, তাহলে তাকে ভিসা দেওয়ার পথ খুঁজে বের করা উচিত।
ডুনিয়াম আরও বলেন, ভিসা ব্যবস্থায় সতর্কতা অবশ্যই প্রয়োজন, যাতে কেউ ভুল উদ্দেশ্যে অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশ করতে না পারে। কিন্তু যদি একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর উপস্থিতি তদন্তের স্বার্থে অপরিহার্য হয়, তাহলে সরকারকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।
মার্কাসের দাবি এবং ভিসা প্রত্যাখ্যানের ঘটনা এখন বন্ডাই সন্ত্রাসী হামলার তদন্তকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিরোধীরা বলছে, তদন্তের স্বচ্ছতা ও পূর্ণাঙ্গতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের বক্তব্য গ্রহণে কোনো ধরনের প্রশাসনিক বাধা থাকা উচিত নয়। অন্যদিকে, সরকার এখন পর্যন্ত ভিসা প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au