এসএসসিতে ৭ লাখ ফেল, ইংরেজি-গণিতে বড় ধাক্কা
মেলবোর্ন, ১২ আগস্ট: গত ১৯ বছরের মধ্যে এবার এসএসসি পরীক্ষায় সবচেয়ে কম পাসের হার দেখা গেছে। প্রতি তিনজন পরীক্ষার্থীর একজনের বেশি এবার উত্তীর্ণ হতে পারেনি।…
মেলবোর্ন, ১২ আগষ্ট- ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ও দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বৈঠককে ‘ফলপ্রসূ’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
বৈঠকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সার্জিও গর বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে অজিত দোভালের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে দুই দেশের অভিন্ন লক্ষ্য রয়েছে এবং পারস্পরিক সম্পৃক্ততা ক্রমেই বাড়ছে বলে জানান মার্কিন এই কর্মকর্তা।
অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠকের এক দিন আগে সোমবার ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রির সঙ্গেও বৈঠক করেন সার্জিও গর। তবে অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে ভারতীয় পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন, এসব বৈঠকে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বিত বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে এবং বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা, জরুরি খনিজসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে উভয় পক্ষের অঙ্গীকার রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্রম মিশ্রি ও অজিত দোভালের সঙ্গে সার্জিও গরের ধারাবাহিক বৈঠক এমন এক সময়ে হয়েছে, যখন পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়ছে এবং ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সহযোগিতা নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।
এর কয়েক দিন আগে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ফোন করেন। ওই ফোনালাপে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ও জ্বালানি নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
এদিকে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তিও আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। চুক্তিটিকে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন ধরনের কৌশলগত মেরুকরণের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর পরপরই ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে ধারাবাহিক কূটনৈতিক যোগাযোগ বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত, আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের মতো বিষয়গুলো ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। সাম্প্রতিক ধারাবাহিক বৈঠকগুলোতে এসব আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা ইস্যু গুরুত্ব পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au