বাংলাদেশ

‘শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে দেশে প্রকৃত জেন-জি বিপ্লব হবে’: ছাত্রলীগ সভাপতি

  • 2:33 pm - August 13, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৪০ বার
ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। ছবিঃ সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ১৩ আগষ্ট- শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে দেশে ‘প্রকৃত জেন-জি ও জেন-আলফা বিপ্লব’ হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। তিনি দাবি করেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণদের একটি বড় অংশ বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতিতে হতাশ হয়ে পড়েছে এবং তাদের অনেকে শেখ হাসিনার সরকারের সময়কে নতুন করে মূল্যায়ন করছেন।

ভারতে যাওয়ার দুই বছর পর গত ৫ আগস্ট ভার্চুয়ালি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের ডিসেম্বরের দিকে বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানান। তার ওই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে ‘গণহত্যার দায়ে দণ্ডিত’ উল্লেখ করে ওই সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এবং এটিকে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের প্রতি গুরুতর অবমাননা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

বর্তমান সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসাইনও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বক্তব্যকে রাজনৈতিক কৌশল বা ‘রাজনৈতিক স্টান্ট’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন।

তবে ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য প্রিন্টকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সাদ্দাম হোসেন দাবি করেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন এবং তাকে স্বাগত জানাতে বাংলাদেশের জেন-জি প্রজন্ম প্রস্তুত হচ্ছে।

সাক্ষাৎকারে সাদ্দাম বলেন, ‘জেন-জি কোনো একক রাজনৈতিক গোষ্ঠী নয়। ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে অনেক তরুণ অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতির গতিপথে তাদের একটি বড় অংশ হতাশ হয়ে পড়েছেন।’

তার দাবি, তরুণরা বর্তমানে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, বেকারত্ব বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক ক্ষমতা একটি সীমিতসংখ্যক তরুণের হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়ার বিষয় প্রত্যক্ষ করছেন। তার ভাষায়, জুলাই অভ্যুত্থান থেকে গড়ে ওঠা একটি ছাত্রভিত্তিক রাজনৈতিক গোষ্ঠী রাজনৈতিক পরিসরে বেশি সুযোগ পেলেও বিপুলসংখ্যক তরুণ এখনো সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

সাদ্দাম আরও অভিযোগ করেন, গত দুই বছরে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিসর সংকুচিত হয়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন বেড়েছে, মুক্তিযুদ্ধের ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে এবং উগ্রপন্থী শক্তির প্রভাব বেড়েছে। তার দাবি, অনেক তরুণ এখন মনে করেন, তাদের প্রকৃত গণতান্ত্রিক সংস্কারের অংশীদার না বানিয়ে একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল।

‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার আওয়ামী লীগ’

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ ও দলটির সহযোগী সংগঠনগুলোর ওপর ব্যাপক রাজনৈতিক দমন-পীড়ন চলছে বলেও অভিযোগ করেন ছাত্রলীগ সভাপতি।

তিনি বলেন, গণগ্রেপ্তার ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। তার দাবি, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সীমিত করার পদক্ষেপের মধ্যেও দলটির নেতা-কর্মীরা ‘পদ্ধতিগত রাজনৈতিক নিপীড়নের’ শিকার হচ্ছেন।

সাদ্দামের দাবি, সরকারি নথি অনুযায়ী সাবেক সংসদ সদস্যসহ আওয়ামী লীগের ১৩৩ জনের বেশি জ্যেষ্ঠ নেতা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩৫ জন সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী রয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন। সাবেক সংসদ স্পিকার দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার পর কয়েক মাস আগে জামিনে মুক্ত হয়েছেন এবং সাবেক ডেপুটি স্পিকার এখনো কারাগারে রয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও দাবি করেন, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’-এ প্রায় ৪৪ হাজার মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছেন। পাশাপাশি ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ১০ মাসে সারা দেশে ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৭৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষ্য, এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের আরও বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী আত্মগোপনে রয়েছেন অথবা দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

কারাগারগুলোর ধারণক্ষমতার তুলনায় বন্দির সংখ্যা প্রায় ১৭০ শতাংশে পৌঁছেছে বলেও দাবি করেন সাদ্দাম। তার মতে, বন্দিদের বড় অংশই বিচারাধীন।

‘শোন-অ্যারেস্টের’ অভিযোগ

আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে ‘শোন-অ্যারেস্ট’ নামে একটি প্রক্রিয়া চালু হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ছাত্রলীগ সভাপতি।

তার দাবি, কোনো মামলায় একজন আসামি জামিন পাওয়ার পর তাকে কারাগার থেকে বের হওয়ার আগেই অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে। কখনো কারাগারের ভেতরেই, আবার কখনো কারাগারের ফটকে নতুন মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এতে আদালতের দেওয়া জামিন কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ছে এবং একজন ব্যক্তি এক মামলায় জামিন পাওয়ার পরও অন্য মামলায় আটক থাকছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সাক্ষাৎকারে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য উল্লেখ করা হয়নি।

‘আওয়ামী লীগ এখনো সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল’

দমন-পীড়নের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ এখনো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল বলে দাবি করেছেন সাদ্দাম হোসেন। তার মতে, সাত দশকের বেশি সময়ে দলটি দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, শহর, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও গ্রামে বিস্তৃত সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তুলেছে।

তিনি বলেন, সামরিক শাসন, দলটির নেতাদের ব্যাপক গ্রেপ্তার, রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড এবং সংগঠন ভেঙে দেওয়ার বিভিন্ন প্রচেষ্টা আওয়ামী লীগ অতীতে মোকাবিলা করেছে।

সাদ্দাম বলেন, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে শেখ হাসিনা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করেন। তার দাবি, শেখ হাসিনা ২২টি হত্যাচেষ্টা থেকে বেঁচে গেছেন।

তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতেও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের একটি অংশ শান্তিপূর্ণভাবে সংগঠিত হচ্ছে এবং সাংবিধানিক, অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক রাজনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছে।

‘শেখ হাসিনার প্রতি সমর্থন বাড়ছে’

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে হতাশা বাড়ছে এবং এর ফলে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রতি সমর্থনও বাড়ছে বলে দাবি করেন সাদ্দাম।

তিনি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়েও সমালোচনা করেন। তার দাবি, ওই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি মানুষের আস্থা পুরোপুরি ফিরিয়ে আনতে পারেনি।

বর্তমান বিএনপি সরকারকে তিনি আগের অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তার অভিযোগ, বিএনপি সরকারের সময় তারেক রহমান মৌলবাদী ও উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে রাজনৈতিকভাবে আরও বেশি জায়গা দিয়েছেন।

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী সংসদীয় গণতন্ত্রের একটি প্রচলিত চিত্র তুলে ধরলেও তাদের মধ্যে কৌশলগত রাজনৈতিক সমঝোতা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন সাদ্দাম। তার দাবি, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের রাজনৈতিক অবস্থানের ধারাবাহিকতা এখনো রয়েছে।

শেখ হাসিনার বক্তব্য দেখতে বিপুল মানুষ

শেখ হাসিনার ৫ আগস্টের ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনের প্রসঙ্গ তুলে সাদ্দাম দাবি করেন, বাংলাদেশের সরকার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বক্তব্য প্রচার না করার নির্দেশ দিলেও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সম্মিলিত সরাসরি সম্প্রচার ৮ কোটির বেশি দর্শক পেয়েছে।

তার দাবি, দেশের বিভিন্ন স্থানে চায়ের দোকান ও বাজারে মানুষ একসঙ্গে বসে শেখ হাসিনার বক্তব্য দেখেছেন। এমনকি অনেক মানুষ ইংরেজি ভাষা না বুঝলেও শুধু শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনতে আগ্রহী ছিলেন বলে তিনি দাবি করেন।

সাদ্দাম বলেন, ‘ভাষা কোনো বাধা ছিল না। মানুষ তাদের নেতা শেখ হাসিনার কণ্ঠ শুনতে চেয়েছে এবং তারা তার দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছে।’

সাক্ষাৎকারে তিনি আরও দাবি করেন, জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণদের একটি অংশ বর্তমানে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে ভাবছে। তার ভাষায়, শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে জেন-জি ও জেন-আলফার একটি ‘প্রকৃত বিপ্লব’ সামনে আসতে পারে।

তবে সাদ্দাম হোসেনের এসব বক্তব্য মূলত তার রাজনৈতিক অবস্থান ও দাবির ভিত্তিতে দেওয়া। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলমান বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের অবস্থান সম্পূর্ণ ভিন্ন।

সূত্রঃ দ্য প্রিন্ট

এই শাখার আরও খবর

তারেক মাসুদ-মিশুক মুনীরের মৃত্যুবার্ষিকীতে ব্লাস্টের ৩ দাবি, মোমবাতি প্রজ্বালন

মেলবোর্ন, ১৪ আগস্ট: প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ ও চিত্রগ্রাহক মিশুক মুনীরের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বালন করেছে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট…

স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং অবকাঠামো বসাতে চীনা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগ ঠেকিয়েছে নিউজিল্যান্ড

মেলবোর্ন, ১৪ আগস্ট- চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সংশ্লিষ্ট একটি পর্যবেক্ষণ সংস্থা নিউজিল্যান্ডে স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং অবকাঠামো স্থাপনের চেষ্টা করেছিল। তবে সেই উদ্যোগ ঠেকিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে নিউজিল্যান্ডের…

খুলনায় মিষ্টির প্যাকেটে ফেনসিডিল, দুই কারবারির যাবজ্জীবন

মেলবোর্ন, ১৪ আগস্ট- খুলনায় মাদক মামলায় সিরাজ খাঁ ও হারুন অর রশিদ নামে দুই ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা…

জাপানি তরমুজ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক বিতর্ক

মেলবোর্ন, ১৪ আগস্ট- জাপানের প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেওয়া বিশেষ জাতের তরমুজ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজের একটি কৌতুকপূর্ণ মন্তব্য ঘিরে দুই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।…

বিল গেটসের মেয়ের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ‘কুকি স্টাফিং’ অভিযোগ

মেলবোর্ন, ১৪ আগস্ট: মাইক্রোসফটের সহ প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের মেয়ে ফিবি গেটসের সহপ্রতিষ্ঠান ফিয়ার বিরুদ্ধে অনলাইনে পণ্য বিক্রির কমিশন কৃত্রিমভাবে বাড়ানোর জন্য ‘কুকি স্টাফিং’ পদ্ধতি ব্যবহারের…

‘ল্যান্ড জিহাদ’ ঠেকাতে নতুন আইন চান শুভেন্দু, উঠছে নানা প্রশ্ন

মেলবোর্ন, ১৪ আগস্ট: পশ্চিমবঙ্গে ধর্মান্তকরণ ও জমি কেনাবেচায় বিধিনিষেধ আনতে আইন করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর এই ঘোষণাকে আগের ‘ল্যান্ড জিহাদ…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au