ভেনেজুয়েলার তেল মজুতের ওপর বড় নিয়ন্ত্রণ পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ভেনেজুয়েলার সঙ্গে একটি বড় ধরনের তেল চুক্তিতে পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, এই চুক্তির ফলে ভেনেজুয়েলার বিপুল তেল মজুতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের…
OTN বাংলা বিশেষ প্রতিবেদন: বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক মাসের ব্যবধানে বোমা, বিস্ফোরক এবং বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধারের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। একই সময়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে বাংলাদেশে ছোট ও গোপন ‘সেল’ প্রতিষ্ঠার জন্য আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট – একিউআইএস পরিস্থিতিকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে বলে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরও কিছু উদ্বেগজনক তথ্য। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় কারাগার ভেঙে পালানো জঙ্গি মামলার আসামিদের কয়েকজন এখনো নিখোঁজ। পরবর্তী সময়ে জঙ্গি-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আটক কয়েক শ ব্যক্তি জামিনে মুক্ত হয়েছেন। নিষিদ্ধ সংগঠনের পুরোনো সদস্যদের একাংশ পুনরায় সক্রিয় হয়েছে বলে দাবি করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পাকিস্তানের তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান – টিটিপির সঙ্গে বাংলাদেশি তরুণদের যোগাযোগ এবং তাদের পাকিস্তান-আফগানিস্তান অঞ্চলে যাওয়ার তথ্যও বিভিন্ন তদন্তে উঠে এসেছে।
এর মধ্যেই রংপুরে একটি ধর্মীয় সংখ্যালঘু পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। হত্যার ধরন, পুরো পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা এবং তদন্ত নিয়ে ওঠা প্রশ্নের কারণে অনেকে ঘটনাটির সঙ্গে অতীতের জঙ্গি ‘টার্গেট কিলিং’-এর মিল খুঁজছেন। তবে এখন পর্যন্ত প্রকাশিত কোনো বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত বা ফরেনসিক প্রমাণ রংপুরের হত্যাকাণ্ডকে জঙ্গি হামলা হিসেবে নিশ্চিত করেনি।
তাহলে বাংলাদেশ কি সত্যিই জঙ্গিবাদের নতুন উত্থানের মুখে? সাম্প্রতিক বোমা উদ্ধারের ঘটনাগুলো কি বিচ্ছিন্ন, নাকি পুরোনো কোনো নেটওয়ার্কের পুনর্গঠনের ইঙ্গিত? রংপুরের হত্যাকাণ্ড কি নিছক অপরাধ, সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস, নাকি আরও বড় কোনো পরিকল্পনার অংশ?
এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বাংলাদেশের জঙ্গিবাদের ইতিহাস, ২০২৪-পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ এবং সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের মধ্যে সম্ভাব্য সম্পর্ক – তিনটি পর্বে বিশ্লেষণ করেছে OTN বাংলা।
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের ইতিহাস হঠাৎ করে শুরু হয়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা ও উগ্রবাদ নিয়ে কাজ করা গবেষকদের মতে, আশির দশক থেকেই দেশে সংগঠিত জঙ্গিবাদের ভিত্তি তৈরি হতে শুরু করে। সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধে অংশ নেওয়া কিছু বাংলাদেশি দেশে ফিরে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে সংগঠন গড়ে তোলার চেষ্টা করেন।

দেশের প্রথম জঙ্গি সংগঠন মুসলিম মিল্লাত ১৯৮৯ সালে জঙ্গি সংগঠন মুসলিম মিল্লাত। বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে পুলিশসহ নিহত হন ২১ জন। ছবি: সংগৃহীত
১৯৮৬ সালের দিকে ‘মুসলিম মিল্লাত বাহিনী’ নামের একটি সংগঠনের কথা জানা যায়। এর সদস্যদের একটি আস্তানায় পুলিশের অভিযানে হতাহতের ঘটনা ঘটে এবং নেতা মতিউর রহমানসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সংগঠনটির প্রকাশ্য তৎপরতা আর দেখা যায়নি।
বাংলাদেশের জঙ্গিবাদের ইতিহাসে বড় নাম হয়ে ওঠে হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশ – হুজি-বি। সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধ থেকে ফেরা যশোরের আবদুর রহমান ফারুকী ১৯৮৯ সালের দিকে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ রয়েছে। একই বছর আফগানিস্তানে তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৯২ সালের দিকে আবদুস সালামের নেতৃত্বে হুজি-বি নতুন করে সংগঠিত হয়।
মানবাধিকারকর্মী ও জঙ্গিবাদ পর্যবেক্ষক নূর খান লিটনের ভাষ্য অনুযায়ী, নব্বইয়ের দশকে আফগানফেরত ব্যক্তিদের কার্যক্রম শুরুতে প্রধানত দাওয়াত ও সদস্য সংগ্রহের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু দশকের শেষ দিকে তারা প্রকাশ্য ও সহিংস তৎপরতায় নামতে শুরু করে।
প্রথম দিকে হুজি-বির সদস্যরা রোহিঙ্গাদের পক্ষে আরাকানে যুদ্ধ করার লক্ষ্য নিয়ে রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন এবং আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছিল বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। পরে রোহিঙ্গা সংগঠনগুলোর সঙ্গে বিরোধের পর তারা বাংলাদেশের ভেতরে মনোযোগ দেয়।
এই সংগঠনের অন্যতম আলোচিত নেতা ছিলেন মুফতি আবদুল হান্নান। পাকিস্তান ও আফগানিস্তান সীমান্ত এলাকায় তাঁর সামরিক প্রশিক্ষণ ও যুদ্ধে অংশ নেওয়ার তথ্য বিভিন্ন মামলার তদন্তে উঠে আসে। তিনি সংগঠনের প্রচারক হিসেবে যুক্ত হয়ে দ্রুত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে উঠে আসেন। তবে সংগঠনটির মূল নেতৃত্বে ছিলেন মুফতি আব্দুর রউফসহ আরও কয়েকজন।
১৯৯৯ সালের মার্চে যশোরে উদীচীর অনুষ্ঠানে বোমা হামলা এবং ২০০০ সালে গোপালগঞ্জে বোমা পুঁতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার পর হুজি-বির নাম বিশেষভাবে আলোচনায় আসে।
এরপর ২০০১ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সমাবেশে বোমা হামলা, একই বছরের রমনা বটমূলে বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠানে হামলা, ২০০৪ সালে সিলেটে ব্রিটিশ হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার সঙ্গে হুজি-বির সদস্যদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়।

রমনায় বোমা হামলা: আদালতে তোলা হরকাতুল জিহাদের ৮ সদস্য ছবি: সংগৃহীত Channel 24
২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জে গ্রেনেড হামলায় সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়াকে হত্যার ঘটনাতেও সংগঠনটির সদস্যদের দায়ী করা হয়। গবেষকদের হিসাবে, ১৯৯৯ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে হুজি-বি দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ১৩টি হামলা চালায়, যাতে শতাধিক মানুষ নিহত হন।
কিন্তু বড় ধরনের হামলা শুরু হওয়ার পরও জঙ্গিবাদের বিষয়টিকে শুরুতে সরকার, প্রশাসন ও গণমাধ্যমের একটি অংশ যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি। অনেক ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন অপরাধ, রাজনৈতিক সহিংসতা কিংবা স্থানীয় বিরোধ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। এই অস্বীকারের সুযোগেই জঙ্গি সংগঠনগুলো বিস্তার লাভ করে।
হুজি-বির পাশাপাশি ২০০১ সাল থেকে জামাআতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ – জেএমবির তৎপরতাও দৃশ্যমান হতে থাকে। প্রথম দিকে সংগঠনটি দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট হামলা ও সদস্য সংগ্রহ চালালেও ২০০৪ সালে রাজশাহী অঞ্চলে ‘জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশ’ নামে প্রকাশ্যে কর্মকাণ্ড শুরু করে।

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট ৬৩ জেলার ৪ শতাধিক স্পটে সিরিজ বোমা হামলা চালিয়ে জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) আত্মপ্রকাশ ঘটে।জঙ্গি অর্থায়নে কারা ছিল, এখনও অজানা। ছবি: সংগৃহীত
সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে ‘বাংলা ভাই’ রাজশাহী ও নওগাঁ অঞ্চলে কথিত সর্বহারা দমনের নামে মানুষকে ধরে এনে নির্যাতন এবং হত্যার অভিযোগে আলোচনায় আসেন। সংবাদমাধ্যমে তাঁর তৎপরতার খবর প্রকাশিত হলেও তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের কয়েকজন শীর্ষ ব্যক্তি শুরুতে ‘বাংলা ভাই’কে গণমাধ্যমের সৃষ্টি বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন।
ব্যাপক সমালোচনার মুখে ২০০৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি জেএমবি ও হুজি-বিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তার কয়েক মাসের মধ্যেই ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট জেএমবি দেশের ৬৩ জেলায় একযোগে প্রায় ৫০০ বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তাদের বিস্তৃত নেটওয়ার্কের জানান দেয়।
সিনেমা হল, আদালত, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং রাজনৈতিক সমাবেশ – কোনো কিছুই জঙ্গি হামলার বাইরে ছিল না। এসব আক্রমণের লক্ষ্য ছিল শুধু মানুষ হত্যা নয়; সমাজে আতঙ্ক তৈরি, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর প্রমাণ এবং ভিন্নমত ও বহুত্ববাদী সংস্কৃতিকে নিশ্চিহ্ন করা।
২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশে জঙ্গি সহিংসতা নতুন রূপ নেয়। বড় ধরনের বোমা হামলার পাশাপাশি শুরু হয় পরিকল্পিত ‘টার্গেট কিলিং’। লেখক, ব্লগার, প্রকাশক, শিক্ষক, পুরোহিত, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, বিদেশি নাগরিক এবং ভিন্নমতের মানুষকে কুপিয়ে বা গুলি করে হত্যা করা হয়।

সমকামীদের একটি পত্রিকার সম্পাদক জুলহাজ হত্যার দায় স্বীকার করেছিল আনসার-আল-ইসলাম। Source: BBC Bangla
নিষিদ্ধ আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, পরবর্তী সময়ে আনসার আল ইসলাম নামে পরিচিত সংগঠনটির সামরিক শাখার নেতৃত্বে সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক ছিলেন বলে পুলিশের তদন্তে উঠে আসে। অভিজিৎ রায়, রাজীব হায়দার, নিলাদ্রী চট্টোপাধ্যায় নিলয় এবং জুলহাজ মান্নানসহ একাধিক হত্যা মামলায় তিনি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি।
বহু বছর ধরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। অতীতে পুলিশ কয়েকবার তাঁর কাছাকাছি পৌঁছানোর দাবি করলেও প্রতিবারই তিনি পালিয়ে যান। এই ঘটনা দেখায়, প্রশিক্ষিত ও প্রযুক্তিতে দক্ষ কোনো নেতা দীর্ঘ সময় পলাতক থেকে বিচ্ছিন্ন ‘সেল’ বা গোপন নেটওয়ার্ক পরিচালনা করলে তাকে শনাক্ত করা কতটা কঠিন।
২০১৬ সালের ১ জুলাই ঢাকার গুলশানে হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা বাংলাদেশের নিরাপত্তা ইতিহাসে এক ভয়াবহ বাঁক তৈরি করে। হামলায় ২০ জন জিম্মি এবং দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। নিহত বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে বেশির ভাগ ছিলেন ইতালীয় ও জাপানি।
হামলাকারীদের ছবি এবং হত্যাকাণ্ডের আলামত দ্রুত ইসলামিক স্টেটের প্রচারমাধ্যম ‘আমাক’-এ প্রকাশিত হয়। হামলাকারীরা অভিযানের আগে ছবি পাঠিয়েছিল – এমন ধারণাও তৈরি হয়। সরকার তখনো হামলাকারীদের আন্তর্জাতিক সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা স্বীকার না করে দেশীয় নব্য জেএমবির সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করে।

হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আইএসের মুখপত্র ‘আমাক নিউজ এজেন্সি’ দায় স্বীকার করে। তারা হামলাকারীদের ছবি প্রকাশ করে যেখানে দেখা যায়, সন্ত্রাসীরা আইএসের পতাকার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। সেই ছবি ও বার্তা তারা টেলিগ্রাম, ফেসবুক ও আইএস-সমর্থক বিভিন্ন ফোরামে ছড়িয়ে দেয়। আইএস হামলাকারীদের “ইনঘিমাসি” (আত্মঘাতী কমান্ডো) হিসেবে উল্লেখ করে। ছবি: সংগৃহীত
পরবর্তী সময়ে পুলিশ ও র্যাবের ধারাবাহিক অভিযানে নব্য জেএমবির সাংগঠনিক কাঠামো বড় ধরনের আঘাতের মুখে পড়ে। হোলি আর্টিজানের পর দেশে একই মাত্রার আন্তর্জাতিক মনোযোগ সৃষ্টিকারী হামলা ঘটেনি। তবে এসব অভিযানের কিছু পদ্ধতি, কথিত বন্দুকযুদ্ধ এবং বিরোধী মত দমনের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্নও ছিল।
ফলে বাংলাদেশের সন্ত্রাসবিরোধী ইতিহাসে দুটি বিপজ্জনক চরমপন্থা তৈরি হয়। একদিকে জঙ্গি হুমকিকে রাজনৈতিক স্বার্থে অতিরঞ্জনের অভিযোগ; অন্যদিকে পুরো সমস্যাটিকেই ‘জঙ্গি নাটক’ বলে অস্বীকার করার প্রবণতা। অথচ ইতিহাস বলছে, হুমকিকে অস্বীকার করার সুযোগেই উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলো শক্তি সঞ্চয় করে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au