রুশ হামলায় ইউক্রেনের ১ কোটি ২০ লাখ বই ধ্বংস
ছাপাখানাটির দিকে শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন ভিক্টোরিয়া হাইদাই। নতুন শিক্ষাবর্ষ সামনে রেখে যেখানে ব্যস্ত থাকার কথা ছিল কর্মীদের, সেখানে এখন পড়ে আছে ধ্বংসস্তূপ। আগুনে পুড়ে…
শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে ৫৮ দিনের শিশু হাফছা জাহানের। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত শনিবার চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে সে। শ্বাসকষ্ট কমাতে দিনে একাধিকবার নেবুলাইজার দেওয়ার কথা। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় নিয়মিত নেবুলাইজার দেওয়া যাচ্ছে না। মাথার ওপরের পাখাটিও বন্ধ। গরমে শিশুটির শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যাচ্ছে।
অসুস্থ মেয়েকে কোলে নিয়ে কখন বিদ্যুৎ আসবে, সেই অপেক্ষায় ছিলেন মা কামরুন নাহার। গতকাল রোববার হাসপাতালটিতে এমন চিত্র দেখা যায়।
হাফছা জাহানের মতো অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে চট্টগ্রামের পটিয়া, লক্ষ্মীপুরের রায়পুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার রোগী ও স্বজনদের। পটিয়ায় নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত দেড় বছরের মোফাছিরকে দিনে ছয়বার নেবুলাইজার দেওয়ার কথা থাকলেও গত শনিবার দেওয়া গেছে তিনবার। রায়পুরে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত চার বছরের শিশু মিনু আক্তারের দিনে চারবার নেবুলাইজার প্রয়োজন। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় সেটিও নিয়মিত দেওয়া যাচ্ছে না।
শুধু নেবুলাইজার নয়, বিদ্যুৎ–সংকটে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর এক্স-রে, ইসিজি ও প্যাথলজি পরীক্ষাও ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও অস্ত্রোপচারের মাঝখানে বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। জেনারেটর থাকলেও কোথাও জ্বালানি নেই। ফলে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এসে রোগী ও স্বজনদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে কখন বিদ্যুৎ আসবে। বিদ্যুৎহীন সময়ে অসহনীয় গরমেও থাকতে হচ্ছে তাঁদের।
গত শনিবার ও গতকাল দেশের একটি জেলা সদর ও ১৩টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরেজমিনে গিয়ে রোগী, স্বজন, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবায় বিদ্যুৎ–সংকটের এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
ঝুঁকির মধ্যে অস্ত্রোপচার
বিদ্যুৎ–সংকটে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে অস্ত্রোপচারকক্ষে। রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সপ্তাহখানেক আগে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার চলার সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। অস্ত্রোপচার শুরু হয়েছিল কিছুক্ষণ আগেই। হঠাৎ অন্ধকার নেমে এলে রোগী ও স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে মুঠোফোনের আলো এবং দ্রুত তেল কিনে জেনারেটর চালু করে অস্ত্রোপচার শেষ করতে হয়।
৫০ শয্যার এই হাসপাতালে লোডশেডিংয়ের কারণে এক্স-রে, ল্যাবরেটরি ও ইসিজি সেবাও ব্যাহত হচ্ছে।
বাগমারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, বিদ্যুৎ না থাকলে পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ হাসপাতালের প্রায় সব কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। এমনকি অস্ত্রোপচার শুরুর পরও বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ঝুঁকি তৈরি হয়। একটি জেনারেটর মেরামত করা হলেও প্রয়োজনীয় জ্বালানি বরাদ্দ না থাকায় সেটি নিয়মিত সচল রাখা যাচ্ছে না।
নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালেও অস্ত্রোপচারের সময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। গত শনিবার সেখানে সিজারের জন্য শাপলা বেগমকে অস্ত্রোপচারকক্ষে নেওয়া হয়। অস্ত্রোপচার শুরুর প্রায় ১৫ মিনিট পর বিদ্যুৎ চলে যায়। তখন তাঁর কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। শিশুটিকে ওটি থেকে বের করে আনা হলেও মায়ের অস্ত্রোপচার তখনো শেষ হয়নি, সেলাই চলছিল। পরে জেনারেটর চালু করে অস্ত্রোপচার শেষ করা হয়।
অস্ত্রোপচারকক্ষের দায়িত্বে থাকা জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স বৃষ্টি রায় বলেন, হাসপাতালে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচটি সিজার করা হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে এখন এক বা দুটির বেশি করা যাচ্ছে না। অর্থোপেডিকস, নাক-কান-গলা, সার্জারিসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচারও কমে গেছে।
অস্ত্রোপচারকক্ষের ইনচার্জ বিধান চন্দ্র রায় বলেন, অস্ত্রোপচারের সময় বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটর চালাতে হয়। তখন এসি চালানো যায় না। এতে চিকিৎসক ও নার্সদের শরীরে ঘাম হয়, যা রোগীর কাটা স্থানে পড়লে সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
জেনারেটর আছে, তেল নেই
বিদ্যুৎ চলে গেলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে জেনারেটর থাকার কথা। কিন্তু বিভিন্ন হাসপাতালে জেনারেটর থাকলেও জ্বালানি না থাকায় তা ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র জেনারেটরটি জ্বালানির অভাবে বন্ধ। এটি চালাতে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ লিটার তেল প্রয়োজন। কিন্তু সেই তেল কেনার জন্য অর্থ বরাদ্দ নেই।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রাজিব কিশোর বণিক বলেন, কয়েক দিন ধরে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে এক্স-রে, ইসিজি ও নেবুলাইজেশন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে হাসপাতালের সার্বিক চিকিৎসাসেবা বিঘ্নিত হচ্ছে।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও জেনারেটর রয়েছে। কিন্তু ডিজেলের বরাদ্দ না থাকায় প্রয়োজনের সময় সেটি চালানো যাচ্ছে না।
আবার কোথাও জেনারেটরই নেই। পাবনার বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেনারেটর না থাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগী ও স্বজনদের দুর্ভোগ বাড়ে। প্যাথলজি বিভাগের ইনচার্জ গোলাম সরোয়ার বলেন, বিদ্যুৎ চলে গেলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ রাখতে হয়। রোগীদের অপেক্ষা করতে হয়।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে মোমবাতি জ্বালাতে হয়। চিকিৎসকেরা মুঠোফোনের টর্চের আলোয় ওয়ার্ডে রোগী দেখেন। জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি বেসরকারি সংস্থার দেওয়া আইপিএস রয়েছে। সেটি দিয়ে রাতে দুটি ওয়ার্ডে একটি করে বাল্ব জ্বালানো যায়।
এক্স-রে করাতে বাইরে যেতে হচ্ছে
বিদ্যুৎ–বিভ্রাটের সরাসরি প্রভাব পড়ছে পরীক্ষা-নিরীক্ষায়। টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি কম ভোল্টেজের কারণে এক্স-রে মেশিনও মাঝেমধ্যে অচল হয়ে পড়ছে।
গত শনিবার মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত গড়গোবিন্দপুর গ্রামের রফিকুল ইসলাম ওই হাসপাতালে এসেছিলেন। কিন্তু এক্স-রে মেশিন চালু না থাকায় তাঁকে বেসরকারি ক্লিনিকে গিয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে পরীক্ষা করাতে হয়েছে। সরকারি হাসপাতালে এই পরীক্ষার খরচ হতো ৫৫ টাকা।
সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে বিভাগের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এস এম আমিরুল ইসলাম মোমেন বলেন, লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি কম ভোল্টেজ থাকায় এক্স-রে মেশিন মাঝেমধ্যে অচল হয়ে যাচ্ছে।
খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও লো-ভোল্টেজের কারণে অধিকাংশ সময় এক্স-রে সেবা বন্ধ থাকছে। চিকিৎসকের পরামর্শে রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে হচ্ছে।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গতকাল হাতের আঙুল ভেঙে যাওয়ায় এক্স-রে করাতে এসেছিলেন কামরুল ইসলাম। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও বিদ্যুৎ না আসায় পরীক্ষা না করিয়েই তাঁকে ফিরে যেতে হয়।
কামরুল বলেন, ‘রায়পুরের চরবংশী থেকে হাসপাতালে এসেছি এক্স-রে করানোর জন্য। এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেছি। কখন বিদ্যুৎ আসবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই বাধ্য হয়ে ফিরে যাচ্ছি।’
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও অসুস্থ মায়ের এক্স-রে করাতে এসে দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করেছিলেন উপজেলা সদরের বাসিন্দা আবদুল ওয়াদুদ। পরে তাঁকে পাশের বেসরকারি হাসপাতালে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
রোগীর পাশে হাতপাখা
লোডশেডিং শুধু চিকিৎসা যন্ত্রপাতির কার্যক্রম বন্ধ করছে না, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের স্বাভাবিক জীবনও দুর্বিষহ করে তুলছে।
গতকাল পাবনার বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বরে আক্রান্ত ১৮ বছরের ছেলে আশিক হোসেনের পাশে বসে একটানা হাতপাখা দিয়ে বাতাস করছিলেন তাঁর মা আসমা খাতুন। তিনি বলেন, রাতে বারবার বিদ্যুৎ গেছে। গরমে তাঁর ছেলেসহ অন্য রোগীরাও অস্থির হয়ে পড়েছে।
ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ৭০ বছরের আমজাদ হোসেনের স্ত্রী আলেয়া খাতুন বলেন, রাতে কয়েকবার বিদ্যুৎ যাওয়ায় তাঁর স্বামী কষ্ট পেয়েছেন। তিনিও ঠিকমতো ঘুমাতে পারেননি।
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত শনিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে পরবর্তী ১২ ঘণ্টায় পাঁচ দফায় মোট ৪ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট বিদ্যুৎ ছিল না।
সেখানে ভর্তি শ্বাসকষ্টের রোগী শামীমা বেগম বলেন, বিদ্যুৎ চলে গেলে তাঁর শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যায়। নেবুলাইজার চালানো যায় না। তাই হাতপাখা দিয়ে বাতাস করতে হয়। কখনো কখনো বিদ্যুৎ দেড় থেকে দুই ঘণ্টা পর আসে।
কোথাও ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া ও জুড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগী ও স্বজনেরা জানিয়েছেন, দিন-রাতে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকে না।
কুলাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত দুই বছরের সন্তানকে নিয়ে চার দিন ধরে ভর্তি রয়েছেন পপি রানী। তিনি বলেন, রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে মোমবাতি জ্বালাতে হয়।
লক্ষ্মীপুরের ছয় উপজেলায় গত দুই থেকে তিন মাসে লোডশেডিং বেড়েছে। লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহাব্যবস্থাপক শফিউল আলম বলেন, চাহিদার তুলনায় প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে।
পাবনার বেড়ায় পল্লী বিদ্যুতের হিসাবে দিনে প্রায় ৯ মেগাওয়াট এবং রাতে ১২ থেকে ১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে দিনে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ এবং রাতে ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ ঘাটতি থাকছে বলে জানিয়েছেন পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর বেড়া জোনাল কার্যালয়ের ডিজিএম উত্তম কুমার সাহা।
গ্যাস–সংকটে কমছে বিদ্যুৎ উৎপাদন
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও বিদ্যুৎ সঞ্চালন কোম্পানি পাওয়ার গ্রিড পিএলসির (পিজিসিবি) তথ্য বলছে, জ্বালানির অভাবে চাহিদামতো বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। ফলে সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও লোডশেডিং কমছে না।
গত শনিবার সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছে বেলা তিনটায়, ৩ হাজার ৬১২ মেগাওয়াট। আগের দিন শুক্রবার সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল রাত ১২টায়, ৩ হাজার ২৪৪ মেগাওয়াট।
দেশের সবচেয়ে বড় বিতরণ সংস্থা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) বলছে, শুক্রবার তাদের সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছে ২ হাজার ৬৭৩ মেগাওয়াট। ওই সময় ময়মনসিংহ অঞ্চলে বিদ্যুৎ ঘাটতি ছিল ৪৬ শতাংশ।
গ্যাসের সংকটের সঙ্গে এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা বিদ্যুৎ–সংকটের প্রভাব এখন হাসপাতালেও স্পষ্ট। রোগীর শ্বাসকষ্ট কমানোর নেবুলাইজার থেকে শুরু করে এক্স-রে, ইসিজি, প্যাথলজি পরীক্ষা এবং অস্ত্রোপচার পর্যন্ত কোনো কিছুই বিদ্যুৎ–সংকটের বাইরে থাকছে না। ফলে বিদ্যুৎ কখন আসবে, সেই অপেক্ষাই অনেক হাসপাতালে চিকিৎসাসেবার অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সরেজমিন তথ্য সংগ্রহ করেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা এবং প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি, নীলফামারী, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, পটিয়া, চট্টগ্রাম, বেড়া, পাবনা, মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর, বাগমারা, রাজশাহী, তারাগঞ্জ, রংপুর, জুড়ী, মৌলভীবাজার ও সখীপুর।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au