রুশ হামলায় ইউক্রেনের ১ কোটি ২০ লাখ বই ধ্বংস
ছাপাখানাটির দিকে শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন ভিক্টোরিয়া হাইদাই। নতুন শিক্ষাবর্ষ সামনে রেখে যেখানে ব্যস্ত থাকার কথা ছিল কর্মীদের, সেখানে এখন পড়ে আছে ধ্বংসস্তূপ। আগুনে পুড়ে…
সংযুক্ত আরব আমিরাতের জলসীমার দিকে ইরান থেকে আসা একটি ড্রোন প্রতিহত করার দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের ভাষ্য, চালকবিহীন আকাশযানটি (ইউএভি) ইরান থেকে এসে আমিরাতের জলসীমার দিকে এগিয়ে আসছিল।
সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমিরাতের জলসীমায় একটি ইউএভি শনাক্ত করার পর দেশটির বিমানবাহিনী সেটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় এবং ড্রোনটি প্রতিহত করে। তবে ড্রোনটি কী ধরনের ছিল বা কীভাবে প্রতিহত করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই দাবি এমন সময়ে এল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ছে।
এর আগে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করে। এরপরই আমিরাতের জলসীমার কাছে ইরান থেকে আসা একটি ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিহত করার কথা জানাল আবুধাবি।
এর এক দিন আগে, রোববার হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের লারাক দ্বীপে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এক মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে ইরানে এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম হামলা। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ইরানের দুটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণস্থল লক্ষ্য করে ওই হামলা চালানো হয়।
হামলায় ইরানের সেনা ও বেসামরিক লোকজন হতাহত হয়েছে দাবি করে এর জবাব দেওয়ার ঘোষণা দেয় দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। পরে জর্ডানে থাকা দুটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর দাবি করে ইরান।
এর পরিপ্রেক্ষিতে জর্ডানের সামরিক বাহিনী সোমবার জানায়, দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করা আটটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কমেছে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতেও। হামলার আশঙ্কায় জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হওয়ার পথে।
সোমবার প্রকাশিত জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহান্তে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী দৃশ্যমান পণ্যবাহী জাহাজের সংখ্যা দিনে মাত্র পাঁচটিতে নেমে এসেছে।
হামলার আশঙ্কায় জাহাজ কোম্পানিগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় আঞ্চলিক উত্তেজনার অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।
সূত্র- এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au