বাংলাদেশ

রংপুরের চার খুন

দুই ফোন ডিটারজেন্ট পানিতে, আগমী-আয়ুষের ফোন অক্ষত: তদন্তে প্রশ্ন বাড়ছে

  • 1:04 am - September 22, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৮৭ বার
মুগ্ধ-সিদ্ধার্থই হত্যাকারী, ছাদে হত্যা করা হয় তিনজনকে: পুলিশ।

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের প্রাথমিক বয়ান ঘিরে শুরু থেকেই নানা প্রশ্ন উঠেছে। গ্রেপ্তার দুই তরুণ সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করেছে পুলিশ। তাদের আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির কথাও জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা। তবে হত্যার উদ্দেশ্য, ঘটনাক্রম এবং আলামত নষ্টের অভিযোগসহ তদন্তের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা এবং মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র।

বিশেষ করে নিহত পরিবারের দুটি মোবাইল ফোন ডিটারজেন্ট মেশানো পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিল বলে পুলিশের যে দাবি, সেটি তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর আঙুলের ছাপ বা অন্য কোনো আলামত নষ্ট করতেই ফোন দুটি পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিল। কিন্তু একই পরিবারের অন্য দুটি ফোন নষ্ট না করা, নিহতদের সঙ্গে অভিযুক্তদের সামাজিক যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা এবং ফোন দুটির তথ্য আসলে কীভাবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অভিযুক্তদের যুক্ত করতে পারে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

পুলিশের দাবি, ১৯ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তরা দীর্ঘ সময় ওই বাড়ির ভেতরে অবস্থান করে। পরে তারা ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ঘটনাটিকে ডাকাতি বা অন্য কোনো অপরাধ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করে। স্বর্ণালংকার নেওয়া এবং পরে সেগুলোর কিছু অংশ উদ্ধার করার কথাও জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তে পাওয়া আলামতের মধ্যে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম, খেজুরের বিচি ও আংশিক খাওয়া শসার কথাও পুলিশ জানিয়েছে।

তবে মোবাইল ফোনের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদের বক্তব্য অনুযায়ী, নিহত পরিবারের দুটি মোবাইল ফোন ডিটারজেন্ট মেশানো পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয়েছিল, যাতে আঙুলের ছাপ মুছে যায়। পুলিশের ধারণা, এটি ছিল আলামত ধ্বংসের একটি চেষ্টা।

প্রশ্ন হচ্ছে, ফোন দুটিতে এমন কী তথ্য ছিল, যা মুছে ফেলার প্রয়োজন অভিযুক্তদের অনুভূত হয়েছিল? কিংবা তারা যদি সত্যিই হত্যার পর আলামত নষ্ট করতে চেয়ে থাকে, তাহলে পরিবারের অন্য সদস্যদের ব্যবহৃত ফোন দুটি কেন একইভাবে নষ্ট করা হলো না?

রংপুরে একটি ধর্মীয় সংখ্যালঘু পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ছবিঃ সংগৃহীত

নিহত গণপতি চক্রবর্তী ছিলেন রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগমী চক্রবর্তী এবং ১২ বছর বয়সী ছেলে আয়ুষ চক্রবর্তীও হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। পুলিশ বলেছে, গণপতিকে প্রথমে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর স্ত্রী ও মেয়েকে এবং সর্বশেষ ছেলেকে হত্যা করা হয়।

ঘটনার পর পুলিশ প্রথমে দাবি করে, গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে মাদক সেবনের সময় সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধকে দেখে ফেলায় বিরোধের সূত্রপাত হয়। পুলিশ কমিশনারের বক্তব্য অনুযায়ী, গণপতি তাদের ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ার পর তাঁকে হত্যা করা হয় এবং পরে পরিবারের অন্য সদস্যরাও হত্যার শিকার হন। এই বয়ান পরবর্তী সময়ে আরও বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করে পুলিশ।

তবে তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে পুলিশের বয়ানে কিছু পরিবর্তনও এসেছে। এক পর্যায়ে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে সম্ভাব্য মোটিভ হিসেবে সামনে আনা হয়। পরে পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের সামগ্রিক উদ্দেশ্য নিয়ে তারা নিশ্চিত নয় এবং অন্য কোনো ব্যক্তি বা উদ্দেশ্য ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে।

এদিকে অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের ডোপ টেস্টে মাদকের কোনো উপস্থিতি পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে। ৩১ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে রংপুর মহানগর ডিবির কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়, দুজনের নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদনে শরীরে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

এই তথ্য পুলিশের সেই প্রাথমিক বয়ানের সঙ্গে নতুন প্রশ্ন তৈরি করে, যেখানে হত্যার আগে অভিযুক্তদের ইয়াবা সেবনের বিষয়টি ঘটনাটির অন্যতম প্রধান প্রেক্ষাপট হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল। অবশ্য ডোপ টেস্টের ফল দিয়ে ঘটনার সময় তারা মাদক সেবন করেছিল কি না, তা এককভাবে প্রমাণ বা খণ্ডন করা যায় না। ঘটনাটি হত্যাকাণ্ডের কয়েক দিন পর তাদের আটক ও পরীক্ষা করা হয়েছিল।

তদন্তে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে ৮০ ঘণ্টায় সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের মধ্যে ৮০ বার ফোনে কথা হয়েছে। তদন্তকারীরা এই কল রেকর্ডকে তাদের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং হত্যাকাণ্ডের সময়কার গতিবিধি বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে দেখছেন।

অন্যদিকে, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের অনুসন্ধান পুলিশের বয়ানের কয়েকটি জায়গা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সংগঠনটির দুই সদস্যের একটি দল ২৪ ও ২৫ আগস্ট রংপুরে গিয়ে নিহতদের স্বজন, পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা, সাংবাদিক এবং অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে। এরপর প্রকাশিত পর্যবেক্ষণে পুলিশি বয়ানের সঙ্গে স্বজন ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের কিছু অসঙ্গতির কথা উল্লেখ করা হয়।

বিশেষ করে নিহত প্রীতিলাতার মোবাইল ফোন থেকে রাত ২টা ৪০ মিনিটে তাঁর বোন পূজা চক্রবর্তীর কাছে একটি ফোন যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র। সংগঠনটি ফোনকলের সময়, সম্ভাব্য হত্যার সময় এবং ওই সময় নিহতরা কোথায় ছিলেন, তা যাচাই করতে কল ডিটেইল রেকর্ড, মোবাইল ফোনের অবস্থান, সিসিটিভি ফুটেজসহ সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল ও অন্যান্য আলামত পরীক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছে।

এখানেই নিহত পরিবারের মোবাইল ফোনগুলোর গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। ফোনের কল ইতিহাস, মেসেজ, ছবি, ভিডিও, লোকেশন ডেটা এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য সঠিকভাবে উদ্ধার করা গেলে হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কার কার যোগাযোগ হয়েছিল, কে কখন কোথায় ছিলেন এবং ঘটনার সময় বাড়ির আশপাশে কারা ছিল, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া সম্ভব হতে পারে।

তবে ডিটারজেন্ট মেশানো পানিতে ডুবিয়ে রাখা দুই ফোন থেকে কতটা তথ্য উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বা আদৌ কোনো ডিজিটাল তথ্য উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রকাশ্যে বিস্তারিত কিছু জানায়নি তদন্ত সংস্থা। একইভাবে, ফোন দুটি ঠিক কোথায় এবং কী অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল, সে বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য ছাড়া স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্যও প্রকাশ্যে আসেনি।

ঘটনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো নিহত পরিবারের সঙ্গে অভিযুক্ত দুই তরুণের সামাজিক সম্পর্ক। পুলিশ তাদের একই এলাকার বাসিন্দা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তবে স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবার ছিল অনেকটাই ব্যক্তিগত জীবনযাপনে অভ্যস্ত। প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ছিল সৌজন্যপূর্ণ হলেও ঘনিষ্ঠ সামাজিক মেলামেশা ছিল সীমিত বলে স্থানীয়দের কেউ কেউ জানিয়েছেন।

গণপতি চক্রবর্তী শিক্ষক হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। স্থানীয়দের কাছে তাঁর সামাজিক পরিচিতিও ছিল। অন্যদিকে, সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের সঙ্গে পরিবারের কতটা ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল এবং তারা নিয়মিত ওই বাড়িতে যাতায়াত করত কি না, সেটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনাক্রম বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তদন্তে বাড়ির মালিকানা ও সম্পত্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশের প্রকাশ্য বক্তব্যে প্রথম দিকে মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডের কারণের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও পরে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের সম্ভাবনার কথাও আসে। কিন্তু সম্পত্তি নিয়ে কোনো বিরোধ ছিল কি না, কারও ওই সম্পত্তির ওপর আগ্রহ ছিল কি না কিংবা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পত্তিগত কোনো স্বার্থ জড়িত ছিল কি না, সে বিষয়ে তদন্তের পূর্ণাঙ্গ ফল এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

এদিকে, হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশের তদন্ত স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর মামলাটি কোতোয়ালি থানা থেকে গোয়েন্দা শাখায় স্থানান্তর করা হয়। পুলিশ জানিয়েছিল, দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের জন্য মামলাটি ডিবিতে দেওয়া হয়েছে। পরে ডিবি গ্রেপ্তার দুই আসামিকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদও শুরু করে।

আদালতে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে বলে পুলিশ ও আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি তদন্তের অন্যান্য আলামত ও সাক্ষ্যের সঙ্গে মিলিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।

এই অবস্থায় রংপুরের চার খুনের তদন্তে কয়েকটি প্রশ্ন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। নিহতদের ফোনে হত্যাকাণ্ডের আগে ও পরে কার সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল, রাতের বিভিন্ন সময়ে ফোনগুলোর অবস্থান কোথায় ছিল, সিসিটিভিতে কারা ধরা পড়েছে, অভিযুক্তদের অবস্থান ও ফোনের অবস্থান পরস্পরের সঙ্গে মেলে কি না এবং ডিটারজেন্ট পানিতে রাখা ফোন দুটি থেকে কী ধরনের ফরেনসিক তথ্য উদ্ধার করা গেছে, তার উত্তর তদন্তের গতিপথ স্পষ্ট করতে পারে।

একই সঙ্গে পুলিশের বয়ানে মোটিভের পরিবর্তন, অভিযুক্তদের ডোপ টেস্টের ফল, হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য সময় এবং নিহত প্রীতিলাতার রাত ২টা ৪০ মিনিটের ফোনকলের মতো বিষয়গুলোও স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছে মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র।

সব মিলিয়ে, পুলিশের দাবি অনুযায়ী সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ হত্যাকাণ্ডে জড়িত হলেও মামলার তদন্তে এখনো আরও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন। দুই মোবাইল ফোন কেন ডিটারজেন্ট পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিল, ফোনগুলোর ভেতরে কী তথ্য ছিল, সেই তথ্য কতটা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে মাদক, সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধ নাকি অন্য কোনো কারণ কাজ করেছে, এসব প্রশ্নের নির্ভরযোগ্য উত্তরই রংপুরের বহুল আলোচিত এই চার খুনের পূর্ণ চিত্র সামনে আনতে পারে।

সূত্রঃ নর্থইস্ট নিউজ

এই শাখার আরও খবর

৮ প্রাণহানি, ৩০০ গজ দূরেও ক্ষয়ক্ষতি, আশুলিয়ার বিস্ফোরণে নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন

ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডারবাহী কাভার্ড ভ্যানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। রোববার সন্ধ্যার এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ২৫…

ভোটের মধ্যে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, রাশিয়ায় বড় জয় পুতিনের দলের

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্যেই রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ক্ষমতাসীন দল ইউনাইটেড রাশিয়া। প্রায় সব ভোট গণনার পর দলটি ৫৭ দশমিক…

কর্মস্থলে অনুপস্থিতি: ৬ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

কর্মস্থলে অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) আসাদুজ্জামানসহ ছয় ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার। সোমবার (২১…

দিল্লির বৈঠকে ওবায়দুল কাদেরের হুঁশিয়ারি: ‘অতিরিক্ত দমন-পীড়নের পরিণতি ভয়াবহ হবে’

শেখ হাসিনার ডাকা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের বৈঠকে অনলাইনে দেওয়া দীর্ঘ বক্তব্যে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কিছু মন্তব্য নিয়ে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে…

মোদির জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অনুপস্থিতি, ৫০০ রুপি জরিমানার নোটিশ ঘিরে বিতর্ক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত প্রদীপ প্রজ্বালন অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে জম্মুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের (আইআইএম) কয়েকজন শিক্ষার্থীকে নোটিশ দেওয়ার ঘটনা…

প্রিমিয়ার লিগে মুখোমুখি হওয়া ২৫ দলের বিপক্ষেই গোল হালান্ডের

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে নতুন এক মাইলফলক গড়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির নরওয়েজীয় স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে গোল করে প্রিমিয়ার লিগে এখন পর্যন্ত যেসব দলের মুখোমুখি হয়েছেন,…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au