তিন শিশুকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ, একজন নিহত: নারীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের ব্লু মাউন্টেনস এলাকায় গাড়ির ভেতরে তিন শিশুকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগে ৪২ বছর বয়সী এক নারীর বিরুদ্ধে হত্যা ও হত্যাচেষ্টার মামলা হয়েছে। হামলায়…
শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে করা মামলায় ১০ বিসিআইসি সার ডিলারসহ ১৫ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুরের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির উভয় পক্ষের আইনজীবীদের শুনানি শেষে আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে বিকেলে তাদের শেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
কারাগারে পাঠানো ১৫ আসামির মধ্যে ১০ জন বিসিআইসি সার ডিলার। তারা হলেন মো. ফরহাদ আলী, মাজাহারুল ইসলাম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, সুফিয়া বেগম, মরিয়ম আক্তার মুন্নী, তাপস নন্দী, সিরাজুল হক, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী ও বোরহান উদ্দিন।
এ ছাড়া ডিলারদের পরিচালনাকারী হিসেবে মামলায় আসামি করা হয়েছে আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. বাদশা মিয়া ও জাকির হোসেন রতনকে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে গত ২২ জুলাই শেরপুর সদর উপজেলার ১৫ জন সার ডিলারসহ মোট ২০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত মৌসুমে শেরপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকান পরিদর্শন করে সার বিক্রির রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমো জব্দ করা হয়। পরে এসব নথি যাচাই করে ব্যাপক অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, অধিক মুনাফার আশায় ডিলাররা সরকারি বরাদ্দের সার কালোবাজারে বিক্রি করেন। এতে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয় এবং কৃষকদের সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হতে হয়।
মামলার আসামি ডিলারদের কয়েকজন এর আগে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়েছিলেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মঙ্গলবার ১৫ জন শেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন।
শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলায় মোট ২০ জন আসামি থাকলেও মঙ্গলবার ১৫ জন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অভিযোগের সত্যতা এবং আসামিদের দায় বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au