অস্ট্রেলিয়া

রেহানা পারভিনের রহস্যজনক মৃত্যু

বাংলাদেশে নারীর মৃত্যু তদন্ত প্রভাবিত করতে বাংলাদেশে ৯০ হাজার ডলার ঘুষের অভিযোগ, অস্ট্রেলিয়ায় এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার

  • 9:40 pm - September 23, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৭৫ বার
বাংলাদেশে নারীর মৃত্যু তদন্ত প্রভাবিত করতে বাংলাদেশে ৯০ হাজার ডলার ঘুষের অভিযোগ, অস্ট্রেলিয়ায় এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার। ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশে এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্ত প্রভাবিত করতে দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রায় ৯০ হাজার ডলার বাংলাদেশে পাঠানোর অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ায় এক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি)। ৫১ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি কুইন্সল্যান্ডের রেডব্যাংক প্লেইন্সের বাসিন্দা আওলাদ হোসাইন।

অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশের অভিযোগ, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় দুই বছর ধরে আওলাদ হোসাইন বাংলাদেশে থাকা কয়েকজনের সঙ্গে মিলে তদন্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। এ জন্য বাংলাদেশে প্রায় ৯০ হাজার ডলার পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। ওই অর্থের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে তদন্তের গতিপথ বদলানো, যার মধ্যে পুলিশি নথি থেকে আওলাদ হোসাইনের নাম সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও ছিল বলে অভিযোগ করেছে এএফপি।

এই অভিযোগে আওলাদ হোসাইনের বিরুদ্ধে বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার একটি অভিযোগ আনা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার কমনওয়েলথ ক্রিমিনাল কোডের ৭০.২(১) ধারায় করা এই অভিযোগের সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড।

এএফপি জানিয়েছে, বিদেশি কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার উদ্দেশ্যে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ার আদালতে এটাই প্রথম মামলা, যেখানে এ ধরনের অভিযোগ নিয়ে এজেন্সিটি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে।

যে নারীর মৃত্যুর তদন্ত ঘিরে অভিযোগ

ঘটনাটির কেন্দ্রে রয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলীয় নাগরিক রেহানা পারভিন। তিনি পাঁচ সন্তানের মা ছিলেন। ২০২৪ সালের জুনে মেয়েকে নিয়ে বাংলাদেশে আসার পর তিনি নিখোঁজ হন। ৩ জুলাইয়ের পর তাঁর পরিবারের সঙ্গে আর যোগাযোগ হয়নি। পরে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকার আশুলিয়ার একটি গ্রামে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে মরদেহটির পরিচয় নিশ্চিত করা হয় এবং তাঁর মৃত্যুকে সন্দেহজনক হিসেবে দেখা হয়।

অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম এবিসি জানিয়েছে, রেহানা পারভিন ও আওলাদ হোসাইনের বৈবাহিক সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছিল। তাঁরা প্রায় দুই দশক অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করেন এবং তাঁদের পাঁচ সন্তান রয়েছে। রেহানা কুইন্সল্যান্ডের বাসিন্দা ছিলেন। বাংলাদেশে নিখোঁজ হওয়ার পর তাঁর মরদেহ আশুলিয়ার একটি বাড়ির আঙিনায় সেপটিক ট্যাংকের পাশে মাটিচাপা অবস্থায় পাওয়া যায়।

রেহানার মৃত্যুর ঘটনায় বাংলাদেশে পৃথক তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক হওয়ায় তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশের তদন্তের আওতায়ও আসে।

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রেহানা পারভিনের মৃত্যুর ঘটনায় আওলাদ হোসাইনকে অস্ট্রেলিয়া বা বাংলাদেশে এখনো হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়নি। বাংলাদেশি পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগে কোনো বিচারিক চার্জ গঠন হয়নি। অস্ট্রেলিয়াতেও তাঁর বিরুদ্ধে বর্তমানে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটি বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ।

কীভাবে শুরু হয় অস্ট্রেলিয়ার তদন্ত

এএফপির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কুইন্সল্যান্ড পুলিশ সার্ভিস একটি বিদেশে নিখোঁজ ব্যক্তির প্রতিবেদন অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশের কাছে পাঠানোর পর প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়। পরদিন বাংলাদেশ পুলিশ জানায়, তারা একজন নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং পরে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের ফরেনসিক পরীক্ষায় সেটি নিখোঁজ রেহানা পারভিনের মরদেহ হিসেবে শনাক্ত হয়।

বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য থেকে তাঁর মৃত্যুর পরিস্থিতি সন্দেহজনক বলে জানতে পারে এএফপি। এরপর অস্ট্রেলিয়ান সংস্থাটি তদন্তের ধরন পরিবর্তন করে বিদেশে অস্ট্রেলীয় নাগরিকের মৃত্যু ও গুরুতর অপরাধসংক্রান্ত কমনওয়েলথ আইনের আওতায় তদন্ত শুরু করে। এই তদন্তটি বাংলাদেশ পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি পৃথকভাবে পরিচালিত হয়েছে। এএফপির আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ও বিভিন্ন সহযোগী সংস্থাও এতে সহায়তা করেছে।

তদন্তের অংশ হিসেবে এএফপি সিডনি ও ব্রিসবেনের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালিয়ে আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তরের নথি ও ব্যাংক রেকর্ড সংগ্রহ করে। এসব আর্থিক লেনদেনের তথ্যের ভিত্তিতেই বাংলাদেশে অর্থ পাঠানোর অভিযোগের বিষয়টি তদন্তকারীদের নজরে আসে বলে এএফপি জানিয়েছে।

৯০ হাজার ডলার কোথায় ও কী উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়

এএফপির অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আওলাদ হোসাইন বাংলাদেশে থাকা কয়েকজনের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে তদন্ত প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। তাঁদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রায় ৯০ হাজার ডলার পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। এই অর্থ সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্য ছিল বলে অভিযোগ করেছে অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ।

তদন্তকারীদের অভিযোগ, অর্থ দেওয়ার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল রেহানা পারভিনের মৃত্যুর তদন্তে আওলাদ হোসাইনের নাম পুলিশি নথি থেকে সরিয়ে দেওয়া এবং তদন্তে তাঁর প্রতি পুলিশের নজর কমানো বা বন্ধ করা।

তবে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্য তথ্য অনুযায়ী, ওই অর্থের পুরোটা বা কোনো অংশ সরাসরি বাংলাদেশি সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে ঘুষ হিসেবে পৌঁছেছিল কি না, কিংবা অর্থ দিয়ে তদন্তের ফলাফল বাস্তবে পরিবর্তন করা হয়েছিল কি না, তা আদালতে প্রমাণিত হয়নি। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলোও জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তি হলো অর্থ স্থানান্তর ও ঘুষ দেওয়ার উদ্দেশ্যসংক্রান্ত তদন্ত, ঘুষের অর্থ সফলভাবে কর্মকর্তাদের হাতে পৌঁছে যাওয়ার প্রমাণ নয়।

কুইন্সল্যান্ডে অভিযান, ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ

২১ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশের সদস্যরা আওলাদ হোসাইনকে গ্রেপ্তার করেন। একই দিনে কুইন্সল্যান্ডের গুডনা ও রেডব্যাংক প্লেইন্সে তাঁর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে, যা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

এর আগে আর্থিক প্রতিষ্ঠানে চালানো তল্লাশিতে আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তরের রেকর্ড ও ব্যাংক নথি সংগ্রহ করেছিল এএফপি। এসব নথি এবং জব্দ করা ইলেকট্রনিক ডিভাইস তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

আদালতে অভিযোগ অস্বীকার আওলাদের

আওলাদ হোসাইনের আইনজীবী তরিক দিব এবিসিকে জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেল অভিযোগ অস্বীকার করছেন এবং আদালতে অভিযোগের বিরুদ্ধে লড়বেন। তাঁর দাবি, প্রসিকিউশনের মামলায় প্রমাণগত ঘাটতি রয়েছে, যা আদালতে পরীক্ষা করে নির্ধারণ করা হবে।

২২ সেপ্টেম্বর মামলাটি ব্রিসবেন ম্যাজিস্ট্রেটস কোর্টে ওঠার কথা ছিল। পরে মামলাটি পরবর্তী শুনানির জন্য মুলতবি করা হয় এবং ২৩ সেপ্টেম্বর জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। আওলাদ হোসাইন বর্তমানে হেফাজতে আছেন।

রেহানার মৃত্যুর তদন্ত এখনো চলমান

রেহানা পারভিনের মৃত্যুর ঘটনায় একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ায় তদন্ত চলছে। বাংলাদেশি পুলিশ নিজস্ব তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং এএফপিও অস্ট্রেলীয় আইনের আওতায় মৃত্যুর ঘটনাটি তদন্ত করছে।

বাংলাদেশি পুলিশের এক মুখপাত্র এবিসিকে জানিয়েছেন, আওলাদ হোসাইনের বিরুদ্ধে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে তাঁদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন আসেনি। তবে রেহানা পারভিনের মৃত্যুর তদন্তে অস্ট্রেলিয়ান পুলিশের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ সহযোগিতা করে আসছে এবং এতে তদন্ত এগিয়ে নিতে সহায়তা হয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশি তদন্তে রেহানা পারভিনের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য প্রকাশিত হয়েছিল। তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। ফলে ঘুষের অভিযোগে আওলাদ হোসাইনের বিরুদ্ধে চলমান মামলাকে রেহানার মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর দায় প্রমাণিত হয়েছে হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

বিদেশি ঘুষের অভিযোগে এএফপির ‘প্রথম’ মামলা

এএফপি কমান্ডার স্টিফেন জে বলেছেন, অস্ট্রেলিয়া বা বিদেশে কোনো তদন্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

তিনি বলেন, বিশেষ করে গুরুতর কোনো অপরাধের তদন্তের ফলাফল প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে ঘুষ বা দুর্নীতির অভিযোগকে এএফপি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে। বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রভাব কেনা বা হস্তক্ষেপের চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

এএফপি জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর থেকে বিদেশি ঘুষ ও বড় ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালনা করছে ‘টাস্কফোর্স সোলারিস’। এটি বিদেশি ঘুষ প্রতিরোধ, শনাক্ত ও তদন্তের জন্য গঠিত একটি বহুমাত্রিক বিশেষ দল।

এএফপি ‘ব্রাইবেরি প্রিভেনশন নেটওয়ার্ক’-এরও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। সরকারি সংস্থা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ ও শিক্ষাবিদদের সমন্বয়ে গঠিত এই নেটওয়ার্কের লক্ষ্য অস্ট্রেলীয় ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঘুষ ও দুর্নীতি প্রতিরোধ, শনাক্ত এবং মোকাবিলায় সহায়তা করা।

রেহানা পারভিনের মৃত্যুর তদন্ত এবং বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে আওলাদ হোসাইনের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ার মামলা এখন আলাদা দুটি আইনি প্রশ্নকে সামনে এনেছে। একদিকে রয়েছে বাংলাদেশে এক অস্ট্রেলীয় নাগরিকের সন্দেহজনক মৃত্যুর তদন্ত, অন্যদিকে সেই তদন্তকে প্রভাবিত করার জন্য বিদেশি সরকারি কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ। প্রথমটির তদন্ত এখনো চলমান এবং দ্বিতীয়টির অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হওয়া বাকি।

সূত্রঃ এএফপি

এই শাখার আরও খবর

ইউনূসের জাতিসংঘ সফর ঘিরে বিতর্ক, কেরি কেনেডি-যোগাযোগে নতুন করে ‘ডিপ স্টেট’ আলোচনা

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নিউইয়র্ক সফর এবং জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে একটি সাইড-ইভেন্টে তাঁর বক্তব্যকে ঘিরে বাংলাদেশে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক…

কোয়াড বাইক দুর্ঘটনায় তরুণ ফুটবলারের মৃত্যু, শোকে আঞ্চলিক ক্রীড়া অঙ্গন

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি আঞ্চলিক ক্রীড়া মাঠে কোয়াড বাইক দুর্ঘটনায় ২৫ বছর বয়সী এক তরুণ ফুটবলারের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন…

আইএসআইএসের প্রচারণা ছড়ানোর অভিযোগে অস্ট্রেলিয়ায় ৬৫ বছরের ব্যক্তি গ্রেপ্তার

অস্ট্রেলিয়ায় আইএসআইএসের সদস্য হওয়ার এবং উগ্রবাদী সংগঠনটির প্রচারণা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ৬৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, ওই ব্যক্তি অনলাইনে প্রচারণা…

মৃত্যুর আগে ‘অন্তর্দ্বন্দ্বে’ ভুগছিলেন প্রেসলি গারবার, উঠে এলো মাদকাসক্তির সঙ্গে লড়াইয়ের তথ্য

২৭ বছর বয়সে মডেল প্রেসলি গারবারের আকস্মিক মৃত্যুর পর তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ও দীর্ঘদিনের নানা সংকট নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। তাঁর পরিচিত এক ব্যক্তি…

ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে এমবাপ্পেকে দেখছেন ওয়েন

২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে অন্যতম বড় দাবিদার মনে করছেন সাবেক ইংলিশ তারকা মাইকেল ওয়েন। ২০০১ সালে নিজেই এই পুরস্কার জেতা ওয়েনের…

নারীর সঙ্গে মাদরাসা শিক্ষকের আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ, সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে ক্ষোভ

নেত্রকোণার এন আকন্দ কামিল মাদরাসার প্রভাষক মাওলানা এহসানুল হকের বিরুদ্ধে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ উঠেছে। মাদরাসার সিসিটিভি ফুটেজে ওই নারীর সঙ্গে শিক্ষকের ঘনিষ্ঠ…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au