১৪ মিনিটে ৪ গোল করে জিদানের ফ্রান্সের চমক
উয়েফা নেশনস লিগে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করে বেলজিয়ামকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে জিনেদিন জিদানের ফ্রান্স। ম্যাচের ৭৬ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে থাকা ফ্রান্স শেষ ১৪ মিনিটে চার গোল…
২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের দৌড়ে এবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে স্পেনের বার্সেলোনার ঐতিহাসিক ক্যাম্প ন্যু। এতদিন স্পেনের মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু এবং মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় প্রস্তাবিত হাসান-২ স্টেডিয়ামকে ফাইনাল আয়োজনের প্রধান দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করা হলেও এখন প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয়েছে ক্যাম্প ন্যুও। ফলে বিশ্বকাপের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ম্যাচটি আয়োজনের লড়াইয়ে তিনটি ভেন্যু সামনে এসেছে।
পুনর্নির্মাণের কাজ শেষ হলে ক্যাম্প ন্যুর দর্শক ধারণক্ষমতা প্রায় ১ লাখ ৫ হাজারে দাঁড়াবে। স্টেডিয়ামটির সংস্কার ও আধুনিকায়নের কাজ পুরোপুরি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে ২০২৮ সালের প্রথম প্রান্তিকে। নতুন রূপে ক্যাম্প ন্যু ইউরোপের অন্যতম আধুনিক ও বৃহৎ ফুটবল স্টেডিয়ামে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এরই মধ্যে ২০২৯ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল আয়োজনের জন্য ক্যাম্প ন্যুকে বেছে নিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। ফলে বড় আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা ও অবকাঠামোগত দিক থেকে স্টেডিয়ামটি ইতোমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল ক্যাম্প ন্যুতে আয়োজনের বিষয়ে জোরালো অবস্থান নিয়েছেন বার্সেলোনার সভাপতি হোয়ান লাপোর্তা। তার মতে, মাদ্রিদের সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর পরিবর্তে বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যুই বিশ্বকাপের ফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ আয়োজনের জন্য বেশি উপযুক্ত।
তবে এখনো কোনো স্টেডিয়ামকেই ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনালের জন্য চূড়ান্ত করেনি আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফা। স্পেনের পক্ষ থেকে ফাইনালের ভেন্যু হিসেবে সান্তিয়াগো বার্নাব্যু ও ক্যাম্প ন্যু, দুটি স্টেডিয়ামের নামই প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে একই দেশের দুই ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামের মধ্যে প্রতিযোগিতাও তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে মরক্কোও ফাইনাল আয়োজনের জন্য বড় প্রস্তুতি নিচ্ছে। কাসাব্লাঙ্কায় প্রস্তাবিত হাসান-২ স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণক্ষমতা প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার হওয়ার কথা। নির্মাণকাজ শেষ হলে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল স্টেডিয়ামগুলোর একটি হয়ে উঠবে। বড় ধারণক্ষমতা ও আধুনিক অবকাঠামোর কারণে ফাইনাল আয়োজনের ক্ষেত্রে মরক্কোর এই স্টেডিয়ামও শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
২০৩০ বিশ্বকাপ হবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ একটি আসর। স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোর পাশাপাশি আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে ও প্যারাগুয়েতে বিশ্বকাপের কয়েকটি ম্যাচ আয়োজন করা হবে। তবে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচ, ফাইনাল কোথায় অনুষ্ঠিত হবে, তা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি ফিফা।
ফলে সান্তিয়াগো বার্নাব্যু, ক্যাম্প ন্যু ও হাসান-২ স্টেডিয়ামের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কে পাবে ২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের সুযোগ, সেটিই এখন ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au