‘জানি মুহূর্তগুলো মিস করব’
সময় ফুরিয়ে আসছে লিওনেল মেসির। আর্জেন্টিনার জার্সিতে নিজের শেষ ম্যাচ খেলতে নামার আগে আবেগঘন হয়ে উঠেছেন ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা এই তারকা। বিদায়ী ম্যাচের আগে…
ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর পর সৌদি আরবের নিরাপত্তা জোরদারে যৌথভাবে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনে সম্মত হয়েছে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক। তিন দেশের মধ্যে হওয়া ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’র আওতায় দ্রুত এই সামরিক সক্ষমতা সৌদি আরবে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির জরুরি বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তিন দেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যৌথ প্রতিরক্ষা অঙ্গীকারগুলো অবিলম্বে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কমিটি। অনুমোদিত পরিকল্পনা এবং নিজ নিজ দেশের আইন ও বিধি অনুসরণ করে সৌদি আরবে সেনা ও প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো সম্ভাব্য যেকোনো বহিরাগত হুমকি মোকাবিলায় তিন দেশের পারস্পরিক সামরিক প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা। একই সঙ্গে প্রয়োজনের সময় একে অপরকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার সক্ষমতাও বাড়ানো হবে।
তিন দেশের এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে এসেছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর ঠিক এক দিন আগে, রোববার (৪ অক্টোবর), ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত জোট সরকার হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চল পুনরুদ্ধারে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে।
ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যে সংঘাত চলে আসছে। নতুন করে সামরিক অভিযান শুরুর ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই সৌদি আরবের নিরাপত্তা জোরদারে পাকিস্তান ও তুরস্কের সামরিক সহায়তার প্রস্তুতি নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্তটি তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে সৌদি আরবের নিরাপত্তার জন্য দ্রুত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের পরিকল্পনা তিন দেশের সামরিক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তবে যৌথ বিবৃতিতে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর নির্দিষ্ট সংখ্যা বা সময়সীমা জানানো হয়নি। দেশগুলোর অনুমোদিত পরিকল্পনা ও নিজ নিজ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
সুত্রঃ ডন
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au