নেত্রকোনায় গুলিতে নিহত সাংবাদিক, আগেও হামলার শিকার হয়ে ছিলেন ঝুঁকিতে
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে। স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও চোরাচালানের অভিযোগ নিয়ে লেখালেখি করতেন তিনি। এর আগেও তাঁর…
ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা কি অপরাধ? এই প্রশ্ন তুলে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাকে আটকের ঘটনায় তীব্র সমালোচনা করেছেন আম আদমি পার্টির (এএপি) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি এ ঘটনাকে ‘নিরঙ্কুশ স্বৈরাচার’ বলে অভিহিত করেছেন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কেজরিওয়াল অভিজিৎ দীপকের আটকের বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। দিল্লিতে সিজেপির প্রস্তাবিত ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ মিছিলকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। কেজরিওয়ালের দাবি, বিক্ষোভকারীদের ভয় পাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
তিনি বলেন, ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করাই যদি অপরাধ হয়ে থাকে, তাহলে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। জাতীয় পতাকা নিয়ে আপত্তি থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাকিস্তানে চলে যাওয়ার কথাও বলেন তিনি।
এর আগে অভিজিৎ দীপককে তাঁর বাসা থেকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। পরে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নেহা বোরাকেও আটক করা হয়। তাঁদের আটকের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী এক সাংবাদিকের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কের আশপাশে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। এ সময় পার্কের কাছে চার থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কনট প্লেস ও আশপাশের এলাকায় প্রায় দুই হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছিলেন। তবে অভিজিৎ দীপক ও নেহা বোরাকে আটকের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
ঘটনাটি ঘিরে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের অধিকার, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au