ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, যান চলাচল বন্ধ
গাজীপুরে পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। রোববার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার…
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন করে জটিল মোড় নিয়েছে। একদিকে ইরানে সামরিক হামলার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে, অন্যদিকে পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক সমাধানের পথ খোঁজার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন। এমন পরিস্থিতিতে ইরানকে ঘিরে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রোববার (১ নভেম্বর) প্রকাশিত এএনআইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন ট্রাম্প। ওই আলোচনার পরপরই তিনি নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপে ইরান পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে কথা বলেন।
তবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তাঁর ভাষ্য, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনো কোনো চূড়ান্ত সামরিক সিদ্ধান্ত নেননি এবং কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক পদক্ষেপের হুমকির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানের কাছে আলোচনার একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। ইরানও এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। তেহরানের দাবি, ইরানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মনোভাব আগের তুলনায় কিছুটা নমনীয় হয়েছে।
পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কাতারের দোহা অথবা তুরস্কের ইস্তাম্বুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি।
এদিকে কূটনৈতিক আলোচনার উদ্যোগ চললেও দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য অব্যাহত রয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল ইরানে হামলা চালালে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান মূলত চাপের মুখেই আলোচনায় বসতে বাধ্য হচ্ছে। তাঁর মতে, চলমান সংঘাত খুব শিগগিরই সমাধানের দিকে এগোতে পারে।
সব মিলিয়ে ইরানকে ঘিরে সামরিক প্রস্তুতি, পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারি এবং কূটনৈতিক তৎপরতা একই সঙ্গে চলছে। ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা বিবেচনায় রাখলেও আলোচনার পথ খোলা রাখায় আগামী কয়েক দিন দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
সুত্রঃ এএনআই
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au