শাহজালাল রুমিকে চার সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ হাইকোর্টের
গাজীপুরের টঙ্গীতে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় করা মামলায় আলোচিত অভিভাবক শাহজালাল রুমিকে চার সপ্তাহের…
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চার বছর মেয়াদের মাঝপথে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত হবে, তাঁর প্রেসিডেন্সির বাকি দুই বছর কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে। প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে চায় ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি। অন্যদিকে দুই কক্ষেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছে বিরোধী ডেমোক্রেটিক পার্টি।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য ভারমন্টে স্থানীয় সময় সকাল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা) ভোটগ্রহণ শুরু হয়। দেশজুড়ে লাখো ভোটার সরাসরি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে, আগাম ভোট এবং ডাকযোগে ব্যালট পাঠানোর মাধ্যমে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।
এবারের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) ৪৩৫টি আসনের সব কটিতে এবং সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টিতে ভোট হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে গভর্নরসহ রাজ্য পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ পদেও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বর্তমানে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ রিপাবলিকানদের হাতে। নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা পর্যাপ্ত আসনে জয়ী হয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারলে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিনির্ধারণ ও আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ও তাঁর প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে কংগ্রেসের তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার সুযোগও বাড়বে বিরোধী দলটির।
নির্বাচনে ট্রাম্পের শেষ মুহূর্তের প্রচার
নির্বাচনের আগের দিন সোমবার (২ নভেম্বর) ওয়াশিংটন ডিসির লিংকন মেমোরিয়ালের রিফ্লেক্টিং পুলের সামনে ভাষণ দিয়ে শেষ মুহূর্তের প্রচার চালান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তাঁর ভাষণের বড় একটি অংশজুড়ে ছিল ওয়াশিংটনের বিভিন্ন স্থাপনা ও সংস্কারকাজের বিবরণ।
ভাষণে সংস্কারকাজের আগে ও পরের ছবি সংবলিত কয়েকটি প্ল্যাকার্ড তুলে ধরেন ট্রাম্প। সেগুলোতে লেখা ছিল, ‘ফিরে এসেছে, আগের চেয়েও বেশি সুন্দর!’ তিনি সংস্কারকাজের সাফল্য তুলে ধরার পাশাপাশি ওয়াশিংটনের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কথাও বলেন।
ভাষণের প্রায় ২৫ মিনিট পর নির্বাচনের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। এ সময় ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে ‘সবচেয়ে চরমপন্থি ও বিপজ্জনক প্রার্থী তালিকা’ বলে আখ্যা দেন। তাঁর অভিযোগ, ডেমোক্র্যাটদের নীতি যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য হুমকি তৈরি করবে।
ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের ব্যক্তিগত আয় ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, অভিবাসননীতি এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। ভোটারদের রিপাবলিকানদের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, নির্বাচনের ফলের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নির্ধারিত হবে।
অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা নির্বাচনের শেষ মুহূর্তের প্রচারে জীবনযাত্রার ব্যয়, মূল্যস্ফীতি, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এবং ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থনৈতিক নীতিকে সামনে এনেছেন। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রশাসনের নীতির প্রতি অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। ফলে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এবারের নির্বাচন দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
নির্বাচনের আগে ৫ কোটি ৭০ লাখের বেশি ভোটার আগাম ভোট দিয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
কীভাবে ভোট দিচ্ছেন মার্কিন ভোটাররা
যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত ভোটাররা সাধারণত তিনটি পদ্ধতিতে ভোট দিতে পারেন। এগুলো হলো নির্বাচনের দিন সরাসরি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়া, আগাম ভোট এবং ডাকযোগে ব্যালট পাঠানো।
আগাম ভোটের ক্ষেত্রে নির্বাচনের নির্ধারিত দিনের কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ আগে ভোটাররা সরাসরি নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন। অঙ্গরাজ্যভেদে আগাম ভোটের সময়সীমা ও নিয়ম আলাদা।
ডাকযোগে ভোট দিতে হলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয়ের মাধ্যমে ব্যালট সংগ্রহ করতে হয়। কিছু অঙ্গরাজ্যে ভোটাররা কোনো কারণ না দেখিয়েই ডাকযোগে ভোট দেওয়ার আবেদন করতে পারেন। আবার কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয়।
নির্বাচনের দিন ভোটাররা নিজ নিজ নির্ধারিত কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেন। এ সময় ভোটার নিবন্ধনের তথ্য যাচাই করে ব্যালট দেওয়া হয়। পরিচয়পত্র দেখানোর নিয়মও অঙ্গরাজ্যভেদে ভিন্ন। কোথাও ছবি সংবলিত পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক, আবার কোথাও বিকল্প পরিচয়পত্র বা অন্য পদ্ধতিতে পরিচয় নিশ্চিত করার সুযোগ রয়েছে।
এবারের নির্বাচনে ৪৭টি অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডিসিতে আগাম ভোটের সুযোগ ছিল। নির্বাচনের দিন ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই ৫ কোটি ৭০ লাখের বেশি ভোট পড়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ভোটার হওয়ার যোগ্যতা ও নিবন্ধন
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নির্বাচনে ভোট দিতে হলে সাধারণত ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হতে হয়। তবে নিবন্ধনের নিয়ম ও যোগ্যতার শর্ত অঙ্গরাজ্যভেদে কিছুটা আলাদা।
সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, ভোটারকে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হতে হবে, নির্বাচনের দিন বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট অঙ্গরাজ্যের বসবাসের শর্ত পূরণ করতে হবে। শুধু স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি বা গ্রিন কার্ড থাকলেই ফেডারেল নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার পাওয়া যায় না।
ভোটার নিবন্ধনের জন্য অনলাইনে, ডাকযোগে অথবা স্থানীয় নির্বাচন কার্যালয়ে সরাসরি আবেদন করা যায়। অঙ্গরাজ্যভেদে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবেদনের শেষ সময়ও ভিন্ন হয়ে থাকে।
কংগ্রেসের নির্বাচন কীভাবে হয়
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আইনসভা কংগ্রেসের দুটি কক্ষ রয়েছে। নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ বা হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং উচ্চকক্ষ সিনেট।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মেয়াদ চার বছর হলেও কংগ্রেসের নির্বাচন হয় প্রতি দুই বছর পরপর। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুই বছর পর তাঁর মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, সেটিই মধ্যবর্তী নির্বাচন বা মিডটার্ম ইলেকশন।
প্রতিনিধি পরিষদের সদস্যদের মেয়াদ দুই বছর। ফলে প্রতি দুই বছর পরপর পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সব কটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যদিকে সিনেটরদের মেয়াদ ছয় বছর। তবে সব সিনেটরের মেয়াদ একই সময়ে শেষ হয় না। প্রতি দুই বছর পরপর সিনেটের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আসনে নির্বাচন হয়। এবার নিয়মিত ৩৩টি আসনের পাশাপাশি দুটি বিশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ফ্লোরিডা ও ওহাইও অঙ্গরাজ্যের এই দুটি বিশেষ নির্বাচনের মাধ্যমে সাবেক সিনেটর মার্কো রুবিও ও জেডি ভ্যান্সের ছেড়ে যাওয়া আসন পূরণ করা হবে। রুবিও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ভ্যান্স ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে রয়েছেন।
সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য সাধারণত ৫১টি আসন প্রয়োজন। তবে দুই দলের আসনসংখ্যা সমান ৫০-৫০ হলে ভাইস প্রেসিডেন্টের টাই-ব্রেকিং ভোটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নির্ধারিত হতে পারে। বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স রিপাবলিকান হওয়ায় সমান আসনের ক্ষেত্রে দলটি সুবিধা পাবে।
কেন এত গুরুত্বপূর্ণ এই নির্বাচন
মধ্যবর্তী নির্বাচনের মূল উদ্দেশ্য কংগ্রেসের প্রতিনিধিত্ব নতুন করে নির্ধারণ করা। তবে এর রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বিস্তৃত। কারণ, কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে, তার ওপর প্রেসিডেন্টের আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন এবং প্রশাসনিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সক্ষমতা অনেকটাই নির্ভর করে।
প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে ডেমোক্র্যাটরা বিভিন্ন আইন ও বাজেট প্রস্তাব আটকে দেওয়ার পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত পরিচালনার সুযোগ পাবেন। অন্যদিকে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পেলে প্রেসিডেন্টের মনোনীত গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বিচারপতিদের নিয়োগ অনুমোদনের ক্ষেত্রেও প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন।
এ কারণে মধ্যবর্তী নির্বাচনকে অনেক সময় ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা ও তাঁর নীতির প্রতি জনগণের সমর্থন যাচাইয়ের নির্বাচন হিসেবে দেখা হয়। যদিও প্রেসিডেন্টের নাম ব্যালটে থাকে না, তবু নির্বাচনের ফল তাঁর প্রশাসনের রাজনৈতিক অবস্থান ও আগামী দুই বছরের কর্মপরিকল্পনায় সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।
ঐতিহাসিক পরিসংখ্যানেও ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের দলের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিকূলতার চিত্র দেখা যায়। আল-জাজিরার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ১৯৪৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ২০টি মধ্যবর্তী নির্বাচনের মধ্যে ১৮টিতেই হোয়াইট হাউসের ক্ষমতাসীন দলের প্রতিনিধি পরিষদের আসন কমেছে। এ সময় গড়ে দলটি ২৬টি আসন হারিয়েছে। কেবল ১৯৯৮ সালে বিল ক্লিনটনের ডেমোক্র্যাটিক পার্টি এবং ২০০২ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশের রিপাবলিকান পার্টি প্রতিনিধি পরিষদে আসন বাড়াতে সক্ষম হয়েছিল।
এবারের নির্বাচনে অর্থনীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, অভিবাসননীতি, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান এবং প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয় ভোটারদের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও এর অর্থনৈতিক প্রভাবও নির্বাচনী আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছে।
ফলাফলের দিকে নজর বিশ্ববাসীর
ভোটগ্রহণ শেষে অঙ্গরাজ্যভেদে ভোট গণনা শুরু হবে। তবে সব আসনের ফল একই সময়ে জানা নাও যেতে পারে। ডাকযোগে আসা ব্যালট গণনা, ভোটের ব্যবধান এবং কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের বিশেষ গণনাপদ্ধতির কারণে চূড়ান্ত ফল প্রকাশে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।
প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ২১৮টি আসন প্রয়োজন। অন্যদিকে সিনেটে রিপাবলিকানদের বর্তমান সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা এবং ডেমোক্র্যাটদের ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের লড়াই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
নির্বাচনের ফল যেদিকেই যাক, তা ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির বাকি দুই বছরের রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারলে ট্রাম্প তাঁর নীতিগুলো বাস্তবায়নে তুলনামূলক সুবিধা পাবেন। আর ডেমোক্র্যাটরা এক বা দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারলে প্রশাসনের ওপর কংগ্রেসের নজরদারি বাড়বে এবং ট্রাম্পের রাজনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।
সূত্রঃ সিবিএস নিউজ ও আলজাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au