খুলনায় ১৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই খুন, দুটিতেই মাদক-সংশ্লিষ্টতার সন্দেহ
খুলনা নগরে প্রায় ১৫ ঘণ্টার ব্যবধানে গুলি করে এক যুবক ও এক গৃহবধূকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে নগরের পূর্ব বানিয়াখামার এলাকায় তাওহিদুল…
মেলবোর্ন, ২০ জুলাই-
দক্ষিণ কোরিয়ায় কয়েকদিনের টানা ভারী বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ জানিয়েছে, এখনো ১২ জন নিখোঁজ রয়েছেন, ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রবিবার দক্ষিণ কোরিয়ার গাপিয়ং শহরের একটি পর্যটন এলাকায় ভূমিধসের পর ঘন কাদার মধ্যে দিয়ে লোকজনকে ভাঙা একটি সেতু পার হয়ে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে দেখা গেছে। শনিবারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, চুংচেওন অঞ্চলে একটি ভূমিধসে সম্পূর্ণ একটি গ্রাম মাটির নিচে চাপা পড়ে গেছে।
দেশটির দক্ষিণাঞ্চলেই সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সানচেওং এলাকায় ভূমিধসে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন এবং সাতজন নিখোঁজ রয়েছেন।
বন্যার পানিতে হাজার হাজার সড়ক ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ডুবে গেছে। বিস্তীর্ণ কৃষিজমি নষ্ট হয়েছে এবং বহু গবাদিপশু মারা গেছে। বুধবার থেকে টানা বৃষ্টিতে দক্ষিণ কোরিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ১০ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। ৪১ হাজারের বেশি বাড়িতে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
যদিও দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে বৃষ্টিপাত কমে এসেছে, তবে শনিবার রাত থেকে রাজধানী সিউলসহ উত্তরাঞ্চলে আবারও ভারী বর্ষণ শুরু হয়েছে। রবিবারও সেখানে আরও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।
রবিবার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোকে ‘বিশেষ দুর্যোগ অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে সরকার একটি সমন্বিত উদ্ধার ও পুনর্গঠন তৎপরতা শুরু করেছে।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইউন হো-জুং স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত “সকল উপলব্ধ সম্পদ” ব্যবহার করে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
এএফপি জানিয়েছে, গাপিয়ং কাউন্টিতে ভূমিধসে কয়েকটি বসতবাড়ি মাটির নিচে চাপা পড়লে অন্তত দুইজনের মৃত্যু হয়।
রবিবার রাত নাগাদ বৃষ্টিপাত কমে আসবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হলেও, এরপর শুরু হতে পারে তীব্র তাপপ্রবাহ।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au