ইরান যুদ্ধে যেভাবে ব্যবহৃত হয়েছে মাস্কের এআই ‘গ্রোক’
মেলবোর্ন, ১৮ জুন- ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে মার্কিন বাহিনী ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল ‘গ্রোক’ ব্যবহার করেছে বলে এক আইনি নথিতে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের…
মেলবোর্ন, ৭ আগষ্ট- চীনের তিয়ানজিন শহরে অনুষ্ঠেয় সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে চীন সফরে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। গালওয়ান উপত্যকায় চীন-ভারত সংঘর্ষের পর এটি হবে মোদির প্রথম চীন সফর। এর আগে তিনি ২০১৯ সালে সর্বশেষ চীনে গিয়েছিলেন।
এই সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনেরও যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে তার অংশগ্রহণ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।
এসসিও সম্মেলনের আগে মোদি ৩০ আগস্ট জাপান সফরে যাবেন। সেখানে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার সঙ্গে ভারতের বার্ষিক শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি। এরপর সেখান থেকে সরাসরি চীনে এসসিও সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন ভারতের সরকারি কর্মকর্তারা।
মোদির সফরের আগেই ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এসসিও-সংক্রান্ত বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নিতে চীন সফর করেছেন। জয়শঙ্কর বেইজিং সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন।
মোদির এই সফরের সময় বিশ্ব রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ব্রিকস দেশগুলোর রাশিয়া থেকে তেল কেনা ও ডলারের আধিপত্য চ্যালেঞ্জ করার কারণে এই জোটের তীব্র সমালোচনা করেছেন। একই সঙ্গে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্যের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে ২৫ শতাংশ শুল্কের মুখে ফেলেছে এবং নতুন করে আরও শুল্ক আরোপ করেছে।
চলতি বছরের জুনে চীনের ছিংদাও শহরে এসসিও’র প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন রাজনাথ সিং। সেখানে একটি যৌথ বিবৃতিতে সই করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। কারণ, বিবৃতিতে ভারতের অবস্থান অনুযায়ী সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কথা বলা হয়নি এবং কাশ্মীরের পহেলগামে পর্যটকদের ওপর হামলার বিষয়টি উপেক্ষিত ছিল। উল্টো বেলুচিস্তানের প্রসঙ্গ আনা হয়েছিল, যা পরোক্ষভাবে ভারতের বিরুদ্ধেই অস্থিরতা তৈরির ইঙ্গিত দেয় বলে মনে করে দিল্লি।
তবে পরে, জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র যখন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে, তখন চীনও সেই হামলার নিন্দা জানায়। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, চীন সন্ত্রাসের সব ধরনের সহিংসতার বিরোধিতা করে এবং ২২ এপ্রিলের ওই হামলার তীব্র নিন্দা জানায়।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে এসসিও’তে নয়টি সদস্য দেশ রয়েছে—চীন, ভারত, রাশিয়া, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান এবং ইরান।
সুত্রঃ এনডিটিভি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au