ইরান যুদ্ধে যেভাবে ব্যবহৃত হয়েছে মাস্কের এআই ‘গ্রোক’
মেলবোর্ন, ১৮ জুন- ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে মার্কিন বাহিনী ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল ‘গ্রোক’ ব্যবহার করেছে বলে এক আইনি নথিতে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের…
মেলবোর্ন, ১৭ আগষ্ট- বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন এলাকা সিলেটের ভোলাগঞ্জে সাদা পাথর লুটের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের যোগসাজশ ছিল বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, এই বিষয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রিজওয়ানা হাসান বলেন, “আমরা মাঠপর্যায়ে গিয়ে লুটেরাদের বার্তা দিতে চেয়েছি। মন্ত্রী বা উপদেষ্টাদের কেউ কখনো এভাবে সরাসরি স্পটে গেছেন বা আক্রান্ত হয়েছেন, এমন উদাহরণ নেই। কিন্তু আমরা গিয়েছি। তারপরও দেখা গেলো প্রশাসন হয়তো যোগসাজশ করেছে, নতুবা নীরব থেকেছে। দুই অবস্থাই হতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, সরকারের কাজ হলো নীতিমালা প্রণয়ন করা, সেটি তারা করেছেন। ১৭টি স্থানে পাথর উত্তোলন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ে সেই নীতিমালা কার্যকর করার দায়িত্ব প্রশাসনের। প্রশাসনকে বারবার বলা হলেও তারা কার্যকর ভূমিকা নেয়নি।
উপদেষ্টা বলেন, “আমরা প্রশাসনকে সাহস দেওয়ার জন্য ফিল্ডে গিয়েছিলাম। কিন্তু ফেরার পথে আমাদের গাড়ি ঘিরে অশ্লীল বিক্ষোভ করা হলো। পরে একটি রাজনৈতিক দলও তাদের নেতাদের বহিষ্কার ও সাময়িক বরখাস্ত করতে বাধ্য হলো। যদি তখন প্রতিবাদটা তীব্র না হতো, তাহলে আজকের পরিস্থিতি তৈরি হতো না।”
তিনি মনে করেন, সর্বদলীয় ঐক্যের কারণে প্রশাসন হয়তো চুপ থেকেছে বা যোগসাজশ করেছে। তার ভাষায়, “রাজনৈতিক চাপের কারণে প্রশাসন ঝুঁকি নিতে পারেনি। তবে এখন জনগণ দেখিয়েছে, তারা চাইলে লুটেরাদের ঠেকাতে পারে। রাজনৈতিক শক্তি যতই পেছনে থাকুক, মানুষের শক্তিই শেষ পর্যন্ত জিতে যায়।”
রিজওয়ানা হাসান বলেন, “পাথর কতটুকু লুট হলো বা কোথায় গেলো, সেটা আমার মন্ত্রণালয়ের কাজ নয়। তবে যেহেতু আমি একজন পরিবেশ কর্মী এবং সরকারের অংশ, তাই দায়িত্ব নিচ্ছি। কিন্তু এর দায় সরাসরি আমার নয়। এখন দেখা দরকার মামলায় আসল দোষীদের কতটা তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, তাদের মাঠ পরিদর্শনের পর তিন দিন ব্যাপক অভিযান চালানো হয়। পাথর ভাঙার সব মেশিনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। তবে কয়েক দিনের মধ্যেই রাজনৈতিক চাপে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের চেষ্টা হয়। পরিবহন মালিকরাও ধর্মঘটের হুমকি দেন। রিজওয়ানা বলেন, “এটি নতুন কিছু নয়। ২০২০ সালেও যখন পাথর উত্তোলন বন্ধ হয়েছিল, তখন তারা করোনার মধ্যেই দুইবার ধর্মঘট করেছিলেন। যদি সত্যি জনগণের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা থাকতো, তবে এমন সংকটে ব্যবসায়িক স্বার্থে ধর্মঘট ডাকতেন না।”
তিনি বলেন, “আজ মানুষ তার শক্তি দেখিয়েছে। লুটেরাদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ দাঁড়ালে প্রশাসন ও রাজনীতির সব যোগসাজশ ব্যর্থ হয়ে যায়। ভবিষ্যতে পাথর লুট করতে গেলে এ ঘটনার কথা ভেবেই দুইবার চিন্তা করতে হবে।”
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au