শাস্তির মুখে পরতে যাচ্ছেন এনামুল হক বিজয় ও শফিউল । ছবি: সংগৃহীত
মেলবোর্ন, ২০ আগস্ট — ঘটনাটি ঘটেছে গত বিপিএলের সিলেট পর্বে। বিতর্কিত রাজশাহী দলের শুরুতে অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন এনামুল হক বিজয়। তার মাঠ পরিচালনা নিয়ে তখন থেকেই নানা প্রশ্ন উঠতে থাকে। বিশেষ করে সিলেটে ঢাকার বিপক্ষে একটি ম্যাচে তার সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হয় ব্যাপক আলোচনা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেই দলের এক তরুণ ক্রিকেটার ওটিএন বাংলাকে জানান, অধিনায়ক বিজয় তার পরামর্শ অনুযায়ী ফিল্ডিং সাজাননি। ফলে লিটন দাস ও তানজিদ হাসান তামিম দারুণভাবে রান তুলতে সক্ষম হন। ওই ম্যাচে লিটন করেন ১২৫ রান এবং তামিম করেন ১০৮ রান।
ম্যাচ শেষে হোটেলে ফিরে বিসিবির নিজস্ব অ্যান্টি করাপশন ইউনিট (আকু)-এর জিজ্ঞাসাবাদে কান্নাকাটি করতে দেখা যায় বিজয়কে। এরপর তাকে একাধিকবার তলব করে আকু। শুরু থেকেই তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উঠতে থাকে, এমনকি মাঝে মাঝে তাকে আকুর তদন্তে অসহযোগিতা করতেও দেখা যায়।
শুধু এনামুল হক বিজয় নন, জাতীয় দলের সাবেক পেসার শফিউল ইসলামসহ আরও ৮-৯ জন ক্রিকেটারের নাম রয়েছে আকুর তদন্ত তালিকায়।
আলোচনায় রয়েছে বিসিবির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের পরামর্শকদের নিয়েও। এক সময় এই ইউনিটে পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন আইসিসির সাবেক কর্মকর্তা অ্যালেক্স মার্শাল। তবে বিসিবিতে তার ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে অভ্যন্তরীণ মহলে।
বিসিবি জানিয়েছে, বিপিএল নিয়ে ফিক্সিং ইস্যুতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে আগামী সপ্তাহে।