শিগগিরই চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেন, চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি
মেলবোর্ন, ৩ জুলাই- প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পুনরায় আন্তদেশীয় ট্রেন চলাচল শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের…
মেলবোর্ন, ২৯ আগষ্ট- যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের গভর্নর লিসা কুক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ট্রাম্প তাকে পদ থেকে সরানোর উদ্যোগ নেওয়ায় এ মামলা করেন তিনি। বিষয়টি এখন আদালতে গড়ানোয় ফেডের স্বাধীনতা নিয়ে সম্ভাব্য আইনি লড়াই শুরু হতে যাচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, কুক আদালতের কাছে ট্রাম্পের বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে ‘অবৈধ ও বাতিল’ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। মামলায় ফেড চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলকেও বিবাদী করেছেন তিনি।
ট্রাম্পের অভিযোগ, কুক মর্টগেজ নথিতে ভুয়া তথ্য দিয়েছেন এবং আর্থিক জালিয়াতিতে জড়িত ছিলেন। প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, সংবিধান অনুযায়ী তার কুককে বরখাস্ত করার ক্ষমতা আছে। সোমবার এক ঘোষণায় তিনি বলেন, “দেশের অর্থনীতির জন্য সৎ ও নির্ভুল মানুষ প্রয়োজন, কুক সেই মানদণ্ডে উত্তীর্ণ নন।” তবে আদালত ভিন্ন সিদ্ধান্ত নিলে তিনি তা মেনে নেবেন বলেও জানান।
অন্যদিকে কুকের আইনজীবী অ্যাবে লোওয়েল বলেন, “এই মামলা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নজিরবিহীন ও বেআইনি পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ করছে। ফেডের ইতিহাসে আগে কখনও এভাবে গভর্নরকে সরানোর চেষ্টা হয়নি।”
কুক হচ্ছেন ফেড বোর্ডে নিয়োগ পাওয়া প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর। তিনি ২০২১ সালে দুটি আলাদা রাজ্যে বাড়ি কিনতে গেলে উভয় ক্ষেত্রেই সেটিকে প্রাইমারি রেসিডেন্স হিসেবে দেখিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণত এ ধরনের ঋণে সুদের হার কম হয়। অভিযোগটি ট্রাম্পপন্থী কর্মকর্তা উইলিয়াম পুলটে বিচার বিভাগে পাঠালেও এখনো কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
আইন অনুযায়ী ফেড গভর্নররা ১৪ বছরের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং সহজে তাদের সরানো যায় না, যেন অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প আগের মতো এবারও ফেডকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন। তিনি এর আগেও চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলকে সরানোর হুমকি দিয়েছিলেন এবং সুদের হার ব্যাপক কমানোর চাপ দিচ্ছেন।
এ ঘটনার প্রভাব বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি না করলেও ডলারের দর কিছুটা কমেছে এবং বন্ড মার্কেটে সুদের হারে ওঠানামা দেখা গেছে।
কুকের বর্তমান মেয়াদ ২০৩৮ সাল পর্যন্ত। তার ভবিষ্যৎ এখন আদালতের হাতে নির্ভর করছে। আগামী ১৬–১৭ সেপ্টেম্বর ফেডের নীতি–সভা বসার আগে এই মামলার অগ্রগতি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au