শিগগিরই চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেন, চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি
মেলবোর্ন, ৩ জুলাই- প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পুনরায় আন্তদেশীয় ট্রেন চলাচল শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের…
মেলবোর্ন, ২৯ আগষ্ট- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার রাজ্যে কংগ্রেস কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে বিজেপি কর্মী–সমর্থকেরা বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার প্রয়াত মাকে নিয়ে কংগ্রেস কর্মীর অশালীন মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই এই সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, দুই দলের কর্মীরা দলীয় পতাকার ডান্ডা দিয়ে একে অপরকে মারধর করছেন। সংঘর্ষে দুই শিবিরের বেশ কয়েকজন আহত হলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ঘটনায় কংগ্রেস তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
বিহারের দরভাঙ্গায় কংগ্রেসের পতাকা গায়ে জড়ানো এক ব্যক্তি মোদিকে উদ্দেশ করে অশ্লীল মন্তব্য করলে ভিডিওটি ভাইরাল হয়। এরপর বিজেপি থানায় এফআইআর দায়ের করে এবং কংগ্রেসের কাছে ক্ষমা দাবি করে। দরভাঙ্গা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালতে পেশ করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার বিহারের পাটনায় বিজেপির প্রতিবাদ মিছিলে কংগ্রেস কর্মীরাও পাল্টা মাঠে নামলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। বিশাল পুলিশ বাহিনী নামিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও পাটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বিহারের এই উত্তাপ পৌঁছে যায় পশ্চিমবঙ্গেও। কলকাতার বিধান ভবনের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ চলাকালে একদল বিজেপি সমর্থক কংগ্রেস দপ্তরে ঢুকে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি নেতা রাকেশ সিংয়ের নেতৃত্বে কংগ্রেস দপ্তরের বাইরে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া রাহুল গান্ধীর ছবি ও ব্যানার ছেঁড়া হয়। এ ঘটনায় এন্টালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে প্রদেশ কংগ্রেস।
পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেস মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায় বলেন, “রাজনীতিতে দেউলিয়া না হলে এ ধরনের কাজ হয় না। বিজেপি দেশের চুরি ধরা পড়ায় রাগ কংগ্রেসের ওপর ঝাড়ছে। আমরা প্রশাসনের কাছে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছি।”
বিহার কংগ্রেস নেতা অশুতোষ অভিযোগ করেছেন, সরকারের মদদেই এই হামলা হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি নেতা নীতিন নবীন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “মায়ের অপমানের বদলা বাংলার প্রতিটি ছেলে কংগ্রেসকে দেবে।”
কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তিনি লিখেছেন, “রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস রাজনীতির সবচেয়ে নিচে নেমে গেছে। প্রধানমন্ত্রীকে এবং তার প্রয়াত মাকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য শুধু লজ্জাজনক নয়, গণতন্ত্রের ওপরও কলঙ্ক।”
বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা রাহুল গান্ধী ও তেজস্বী যাদবের ক্ষমা দাবি করেছেন। ঘটনাটির নিন্দা করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ও তার প্রয়াত মাকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য অনুচিত, আমি এর তীব্র নিন্দা করছি।”
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au