শিগগিরই চালু হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত মিতালী এক্সপ্রেস ট্রেন, চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি
মেলবোর্ন, ৩ জুলাই- প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পুনরায় আন্তদেশীয় ট্রেন চলাচল শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের…
মেলবোর্ন, ৩১ আগষ্ট- রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চীনের উত্তরাঞ্চলীয় বন্দরনগরী তিয়ানজিনে পৌঁছেছেন। রবিবার (৩১ আগস্ট) চীন ও রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তিনি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিতে চার দিনের সফরে সেখানে গেছেন। এই সম্মেলনের মাধ্যমে পশ্চিমাদের প্রভাব মোকাবিলা করতে চায় চীন।
রাশিয়ার সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীনে পুতিনের এই সফরকে বলা হচ্ছে বিরল ঘটনা। তিয়ানজিনে পৌঁছানোর পর তাঁকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। শহরের শীর্ষ কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাস এ মুহূর্ত সরাসরি সম্প্রচার করে।
চীনা রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চীন-রাশিয়া সম্পর্ক বর্তমানে “ইতিহাসের সর্বোত্তম পর্যায়ে” রয়েছে এবং এটি বড় শক্তিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে স্থিতিশীল, পরিপক্ব ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হিসেবে গড়ে উঠেছে।
সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রায় ২০ জন বিশ্বনেতাকে স্বাগত জানাবেন। তাঁদের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও রয়েছেন। সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর এই সম্মেলন হবে সংস্থাটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জমায়েত। ২০০১ সালে ছয়টি ইউরেশীয় দেশ নিয়ে যাত্রা শুরু করা এই সংস্থার এখন ১০ জন স্থায়ী সদস্য এবং ১৬টি সংলাপ ও পর্যবেক্ষক দেশ রয়েছে। এর কার্যক্রম নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ থেকে সম্প্রসারিত হয়ে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহযোগিতায়ও বিস্তৃত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সম্মেলন ব্যবহার করে শি জিনপিং একটি “আমেরিকান নেতৃত্বাধীন বিশ্বব্যবস্থার বিকল্প চিত্র” তুলে ধরবেন। একই সঙ্গে ইউক্রেন আক্রমণের কারণে পশ্চিমাদের কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখে থাকা রাশিয়ার জন্য এটি হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সহায়তা।
সফরের একদিন আগে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুতিন পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞাকে কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক বাণিজ্যে মস্কো ও বেইজিং যৌথভাবে “বৈষম্যমূলক নিষেধাজ্ঞার” বিরোধিতা করে। বর্তমানে বাণিজ্যিক বাধা ও যুদ্ধ ব্যয়ের কারণে রাশিয়ার অর্থনীতি মন্দার দ্বারপ্রান্তে।
এদিকে মধ্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নেতারা এই সম্মেলনে যোগ দেবেন। চীন চাইছে এই আয়োজনের মাধ্যমে উন্নয়নশীল ও নিম্নআয়ের দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত “গ্লোবাল সাউথ”-এর শক্তিশালী ঐক্যের বার্তা বিশ্বকে জানাতে।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au