নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর গর্ত থেকে শিশু বিথি রায়ের মরদেহ উদ্ধার
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার প্রায় আট ঘণ্টা পর বিথি রায় নামে ছয় বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ৮টার দিকে…
মেলবোর্ন, ৮ সেপ্টেম্বর- ভারত সরকার সম্প্রতি ‘অভিবাসন ও বিদেশি আইন, ২০২৫’ কার্যকর করেছে। পয়লা সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া এ আইনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের যেসব সংখ্যালঘু ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়েছেন বা নিপীড়নের আশঙ্কায় ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে। এর আগে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী আশ্রয় নেওয়ার সময়সীমা ছিল ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। নতুন আইনে সেই সময়সীমা ১০ বছর বাড়ানো হয়েছে।
এই আইনকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। সংগঠনের সভাপতিত্বকারী অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক, ঊষাতন তালুকদার ও নির্মল রোজারিও এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু ও আদিবাসীদের দেশত্যাগের প্রবণতা বাড়তে পারে। তারা মনে করেন, ভারত সরকারের এই নীতি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংখ্যালঘু ও আদিবাসীদের মনে বিদ্যমান শঙ্কা ও আস্থার সংকট দূর করতে অন্তবর্তীকালীন সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এ লক্ষ্যে নীতি-নির্ধারণী পর্যায় থেকে শুরু করে জীবন-জীবিকার সকল ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু ও আদিবাসীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি তাদের উপর নির্যাতন ও বৈষম্য বন্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সংখ্যালঘু ও আদিবাসীদের অবহেলা বা নিপীড়নের মাধ্যমে দেশে টেকসই গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও অগ্রগতি সম্ভব নয়। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, অন্তবর্তীকালীন সরকার জাতীয় স্বার্থে সংখ্যালঘু নিঃস্বকরণ প্রক্রিয়া রোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
প্রেস বিবৃতি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au