নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর গর্ত থেকে শিশু বিথি রায়ের মরদেহ উদ্ধার
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার প্রায় আট ঘণ্টা পর বিথি রায় নামে ছয় বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ৮টার দিকে…
যুক্তরাজ্যে প্রিন্স হ্যারি ও তাঁর স্ত্রী মেগান মার্কেলের ফেরার খবরে রাজপরিবারের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যেই হ্যারি ও মেগানের অবস্থান নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন রাজা তৃতীয় চার্লস।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজা তৃতীয় চার্লস তাঁর পুত্র হ্যারির কার্যালয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। রাজপরিবারের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা লর্ড চেম্বারলেনের মাধ্যমে পাঠানো ওই চিঠিতে হ্যারি ও মেগানের ভবিষ্যৎ অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স হ্যারি ও মেগান তাঁদের ‘হিজ রয়্যাল হাইনেস’ এবং ‘হার রয়্যাল হাইনেস’ বা ‘এইচআরএইচ’ উপাধি ব্যবহার করতে পারবেন না। অর্থাৎ বাবা ও ছেলের সম্পর্কের কিছুটা উন্নতি হলেও রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক কাঠামোয় তাঁদের আগের মর্যাদা ফিরছে না।
রাজা চার্লস চিঠিতে আরও স্পষ্ট করেছেন, হ্যারি ও মেগান এখন ‘ব্যক্তিগত নাগরিক’ হিসেবে বিবেচিত হবেন। তাঁদের বাণিজ্যিক ও দাতব্য কর্মকাণ্ডকে ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে দেখা হবে এবং রাজপরিবারের হয়ে তাঁদের কোনো আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করার প্রত্যাশা করা হবে না।
চিঠিতে বলা হয়েছে, তাঁদের কাজকর্ম ব্যক্তিগত বিষয় এবং তাঁদের অবস্থান মূলত ব্যক্তিগত নাগরিকদের মতো। ফলে রাজপরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সরকারি বা আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনের জন্য তাঁদের ব্যবহার করা হবে না।
অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুক্তরাজ্যে তাঁদের ভৌগোলিক অবস্থান পরিবর্তন হলেও রাজপরিবারের সঙ্গে তাঁদের আনুষ্ঠানিক সম্পর্কের অবস্থান পরিবর্তন হচ্ছে না। তাঁরা যুক্তরাজ্যে অবস্থান করলেও রাজপরিবারের কর্মরত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন না।
রাজা চার্লস শুধু হ্যারির কার্যালয়ে নয়, যুক্তরাজ্য সরকার, সামরিক বাহিনী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানেও একই বার্তা পাঠিয়েছেন। এর মাধ্যমে হ্যারি ও মেগানের বর্তমান সাংবিধানিক ও আনুষ্ঠানিক অবস্থান সম্পর্কে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছেও বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়েছে।
চিঠিতে ২০২০ সালের জানুয়ারির ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, ওই সময় ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স সার্বভৌমের পক্ষে প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর থেকে তাঁরা আর রাজপরিবারের কর্মরত সদস্য নন।
হ্যারি ও মেগান ২০২০ সালে রাজপরিবারের জ্যেষ্ঠ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। পরে তাঁদের ‘এইচআরএইচ’ উপাধি ব্যবহার বন্ধ করা হলেও তাঁরা ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স উপাধি ধরে রেখেছেন।
বাবা-ছেলের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা উষ্ণতার ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও রাজা চার্লসের চিঠি থেকে স্পষ্ট হচ্ছে, সেই ব্যক্তিগত সম্পর্কের উন্নতি রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক কাঠামোয় হ্যারি ও মেগানের পুরোনো অবস্থান ফিরিয়ে দেওয়ার অর্থ নয়।
ফলে যুক্তরাজ্যে তাঁদের ফিরে আসা রাজপরিবারে প্রত্যাবর্তনের সমার্থক নয়। বরং তাঁরা দেশে ফিরে ব্যক্তিগত নাগরিক হিসেবেই নিজেদের বাণিজ্যিক ও দাতব্য কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবেন। রাজপরিবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব, ‘এইচআরএইচ’ উপাধি এবং প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার সুযোগ তাঁদের জন্য আপাতত বন্ধই থাকছে।
সূত্রঃ news.com.au
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au