কোম্পানিটি এবার তাদের পণ্যে কিছু চমকে দেওয়ার মতো পরিবর্তন আনছে। ছবি: অ্যাপল
মেলবোর্ন, ১০ সেপ্টেম্বর- বাংলাদেশি সময় রাত ১১টায় অ্যাপল পার্ক থেকে সম্প্রচার, চার মডেলের আইফোন ও নতুন ডিভাইস আসছে
অ্যাপলের বছরের সবচেয়ে বড় হার্ডওয়্যার ইভেন্ট আজ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ‘অ ড্রপিং’ নামের এই বিশেষ আয়োজনে অবসান ঘটবে দীর্ঘদিনের নানা গুঞ্জন ও ফাঁস হওয়া তথ্যের। আলোচনার কেন্দ্রে থাকছে অ্যাপলের নতুন প্রজন্মের স্মার্টফোন আইফোন ১৭ সিরিজ। তবে শুধু আইফোন নয়, আরও একাধিক পণ্য উন্মোচন করবে প্রতিষ্ঠানটি।
ইভেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারটিনোতে অবস্থিত অ্যাপল পার্কের স্টিভ জবস থিয়েটারে। বাংলাদেশি সময় অনুযায়ী অনুষ্ঠান শুরু হবে রাত ১১টা। সরাসরি দেখা যাবে অ্যাপলের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, ইউটিউব চ্যানেল ও অ্যাপল টিভি অ্যাপে।
চারটি নতুন আইফোন
অ্যাপল এবার বাজারে আনতে পারে চারটি নতুন মডেল:
- আইফোন ১৭ (বেস মডেল)
- আইফোন ১৭ প্রো
- আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স
- আইফোন ১৭ এয়ার
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে আইফোন ১৭ এয়ার, যা আগের আইফোন ১৬ প্লাসের জায়গা নিতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি এখন পর্যন্ত তৈরি হওয়া সবচেয়ে পাতলা ও হালকা আইফোন হতে চলেছে।
আইফোন ছাড়াও আজকের তালিকায় থাকতে পারে তিনটি স্মার্টওয়াচ:
- অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ১১
- অ্যাপল ওয়াচ আলট্রা ৩
- অ্যাপল ওয়াচ এসই ৩
এ ছাড়া উন্মোচিত হতে পারে এয়ারপডস প্রো (৩য় প্রজন্ম) ট্রু ওয়্যারলেস হেডসেট।
ইভেন্টের শেষ দিকে ঘোষণা আসতে পারে iOS 26, iPadOS 26 ও অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম আপডেটের সময়সীমা নিয়ে।
অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরায়েলের বিমান হামলা। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুরে শহরের একটি আবাসিক ভবনে চালানো এই হামলার লক্ষ্য ছিল হামাসের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) হামলার তথ্য নিশ্চিত করলেও কাতারের নাম সরাসরি উল্লেখ করেনি। আইডিএফের দাবি, এটি চালানো হয়েছে ৭ অক্টোবরের হামলার মূল পরিকল্পনাকারী এবং দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় হামাস নেতাদের বিরুদ্ধে।
ইসরায়েলের চ্যানেল–১২ জানিয়েছে, বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হামাসের অন্যতম শীর্ষ রাজনৈতিক নেতা খালেদ মাশাল। উল্লেখযোগ্য বিষয়, ১৯৯৭ সালে তাকেই হত্যার চেষ্টা করেছিল ইসরায়েল।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানায়, বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা। হামলার কারণে প্রক্রিয়াটি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হলো বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল আনসারি এ হামলাকে আখ্যা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে। তার ভাষায়—
- হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে আবাসিক ভবনে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
- এটি শুধু কাতারের নাগরিক নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও গুরুতর হুমকি।
- ইসরায়েলের এই ধরনের বেপরোয়া আচরণ সহ্য করা হবে না।
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, কাতারের সার্বভৌমত্বে আঘাত করা যেকোনো পদক্ষেপের জবাব দেওয়া হবে দৃঢ়ভাবে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, হামলার মাধ্যমে সংঘাত নতুন ও বিপজ্জনক মোড়ে প্রবেশ করেছে। এতদিন দোহা ছিল হামাসের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও আলোচনার অন্যতম ক্ষেত্র। এখন সেই ভূখণ্ডেই হামলা চালানোয় কূটনৈতিক সংকট আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।