মণিপুরে যৌথ অভিযানে দুই সশস্ত্র সদস্য নিহত, আহত দুই
মণিপুরের চূড়াচাঁদপুর জেলায় ভারতীয় সেনাবাহিনী ও আসাম রাইফেলসের যৌথ অভিযানে ইউনাইটেড কুকি ন্যাশনাল আর্মির (ইউকেএনএ) দুই সদস্য নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও দুজন আহত হয়েছেন…
মেলবোর্ন, ২২ সেপ্টেম্বর- বাণিজ্য সচিব থেকে এনবিআর চেয়ারম্যান হতে ৩৯৫ কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগ । প্রশাসনের শীর্ষ পদগুলো ক্রমেই পরিণত হচ্ছে এক ধরনের “লাভজনক ব্যবসার আসন”-এ। মেধা, দক্ষতা বা জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নয়, বরং বিপুল অঙ্কের অর্থের বিনিময়েই সচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে পদোন্নতি হচ্ছে—এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সর্বশেষ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বর্তমান বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান।
অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত সচিব থেকে বাণিজ্য সচিব হতে তিনি ৩৫ কোটি টাকা, পরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব হতে ৬০ কোটি টাকা, আর সবশেষে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান হতে ৩০০ কোটি টাকা লেনদেন করেছেন। সব মিলিয়ে প্রায় ৩৯৫ কোটি টাকার চুক্তির মাধ্যমে পদোন্নতির পথ সুগম করেন তিনি।
এই লেনদেনের নেপথ্যে রয়েছে এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট। অনুসন্ধানে জানা গেছে, “মেসার্স আর্মি বিডি কনসালটেন্সি” নামের একটি রহস্যময় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্থ আদান–প্রদান সম্পন্ন হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেছেন প্রভাবশালী ব্যক্তি সাইফুল ইসলাম। তাকে প্রায়ই সচিবের একান্ত সচিবের কক্ষে বৈঠক করতে দেখা যায়। অভিযোগ আছে, এসব চুক্তির গ্যারান্টি হিসেবে দেওয়া ব্যাংক চেকের বেশিরভাগে স্বাক্ষর করেছেন তিনিই।
সূত্র বলছে, প্রশাসনে নিয়োগ ও পদোন্নতির সিন্ডিকেটকে নেতৃত্ব দিচ্ছে তিন প্রভাবশালী ব্যক্তি, যাদের পরিচিতি রয়েছে “তিন পান্ডব” নামে। তারা হলেন—
অভিযোগ রয়েছে, নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রকল্প কমিশনের নামে এই চক্র হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ নতুন নয়। পূর্ববর্তী সরকারের আমল থেকেই তাকে “লীগের দোসর আমলা” হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এমনকি দেশে ইন্টারনেট শাটডাউনের মতো বিতর্কিত ঘটনায় তার প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।
প্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ অভিযোগ প্রমাণিত হলে এটি হবে রাষ্ট্রযন্ত্রের জন্য ভয়াবহ অশনিসংকেত। অর্থের বিনিময়ে শীর্ষ পদে নিয়োগ হলে প্রশাসনিক কাঠামো ধসে পড়বে, সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে অসম্ভব।
দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটবিরোধী জনমত এখন তুঙ্গে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, এ ধরনের ঘৃণ্য বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো ছাড়া প্রশাসনকে দুর্নীতি ও প্রভাবশালী আমলাদের দখল থেকে মুক্ত করা সম্ভব নয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au