তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট কাইস সাঈদ। ছবি : এএফপি
মেলবোর্ন, ৪ অক্টোবর- তিউনিসিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেসিডেন্ট কাইস সাঈদকে অপমান করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার রাজধানী তিউনিসের একটি ফৌজদারি আদালত এ রায় ঘোষণা করে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি ফেসবুকে প্রেসিডেন্টকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ও নিন্দাসূচক পোস্ট দেন বলে অভিযোগ আনে রাষ্ট্রপক্ষ। রাষ্ট্রীয় কৌঁসুলির দাবি, পোস্টগুলোতে রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদা ও নিরাপত্তা ‘গুরুতরভাবে হুমকির মুখে’ পড়েছে।
আদালত ‘রাষ্ট্রপ্রধানকে অপমান’ ও জাতীয় নিরাপত্তা আইনের ধারা অনুযায়ী অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে। শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়।
তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে এটি একটি ভয়াবহ দমননীতি। তারা রায়টি বাতিলের দাবি তুলেছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ একাধিক সংগঠন এ রায়ের সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, তিউনিসিয়ায় রাজনৈতিক ভিন্নমত দমনে বিচারব্যবস্থা ব্যবহার করা হচ্ছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নও রায়টি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে এবং ন্যায়বিচারের মানদণ্ড মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
২০১১ সালের আরব বসন্তের পর থেকে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রেসিডেন্ট কাইস সাঈদের অধীনে তিউনিসিয়ায় ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ও মতপ্রকাশের সংকোচন বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই মৃত্যুদণ্ডের রায় দেশটির গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে।
সুত্রঃ এএফপি