ইসরায়েল থেকে যুদ্ধাস্ত্র কিনেছে সৌদি আরব ও কাতার
মেলবোর্ন,৩০ জুন- কূটনৈতিক বা আনুষ্ঠানিক সামরিক সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েল থেকে যুদ্ধাস্ত্র ও অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সংগ্রহ করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দুই প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব…
মেলবোর্ন,৩০ জুন- দীর্ঘদিনের দূরত্ব, অভিমান ও প্রকাশ্য বিরোধের পর ব্রিটিশ রাজপরিবারে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার নতুন ইঙ্গিত মিলেছে। রাজা তৃতীয় চার্লসের ছোট ছেলে প্রিন্স হ্যারি এবং তার স্ত্রী মেগান মার্কেল আগামী মাসে যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন। এই সফরে তাদের সঙ্গে থাকবে দুই সন্তান প্রিন্স আর্চি ও প্রিন্সেস লিলিবেট। রাজপরিবার-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তাদের এই সফরকে কেন্দ্র করে সম্পর্ক পুনর্গঠনের ইতিবাচক বার্তা দেখা যাচ্ছে।
২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস শুরু করেন হ্যারি ও মেগান। এরপর একাধিক সাক্ষাৎকার ও তথ্যচিত্রে রাজপরিবারের বিরুদ্ধে বর্ণবাদ, বৈষম্য এবং মানসিক চাপের অভিযোগ তোলায় দুই পক্ষের সম্পর্ক তীব্রভাবে অবনতি ঘটে। পরে যুক্তরাজ্যে তাদের সরকারি বাসভবন ফ্রগমোর কটেজ ব্যবহারের সুযোগও প্রত্যাহার করা হয় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়।
তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আগামী মাসে যুক্তরাজ্যে একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার প্রস্তুতিমূলক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেশটিতে যাচ্ছেন হ্যারি ও মেগান। এ উপলক্ষে রাজা চার্লস তাদের থাকার জন্য একটি রাজকীয় বাসভবন ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছেন বলে জানা গেছে। হ্যারি ও মেগানও সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাজ্যে নিজস্ব কোনো বাসস্থান না থাকা সত্ত্বেও রাজা চার্লসের এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করা দুই পক্ষের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই সফরের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো, ২০২২ সালের পর প্রথমবারের মতো রাজা চার্লস তার নাতি-নাতনি আর্চি ও লিলিবেটের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ পাবেন। প্রায় চার বছর পর এই পারিবারিক পুনর্মিলন রাজপরিবারের জন্য আবেগঘন মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এ ছাড়া সফরকালে প্রিন্স হ্যারি তার সন্তানদের নিয়ে প্রয়াত মা রাজকুমারী ডায়ানার সমাধিস্থল পরিদর্শন করবেন বলেও জানা গেছে। নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার পর এবারের সফরের জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে, কয়েক বছর ধরে চলা টানাপোড়েনের পর ব্রিটিশ রাজপরিবারে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা নতুন করে জোরালো হয়েছে। যদিও রাজপরিবার বা হ্যারি-মেগানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি, তবুও এই সফরকে দুই পক্ষের সম্পর্ক পুনর্গঠনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au