ভাঙছে হৃদয়ের সেতু: গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া আন্তরিকতা
মেলবোর্ন, ২৯ জুন- বাংলাদেশ মানে শুধু মানচিত্র না। বাংলাদেশ মানে গ্রাম। আর গ্রাম মানে একটা বড় পরিবার। শত শত বছর ধরে গ্রাম বাংলার রেওয়াজ ছিল-আত্মীয়…
মেলবোর্ন,৮ অক্টোবর- থাইল্যান্ডে টানা কয়েকদিনের ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
গত এক সপ্তাহ ধরে থাইল্যান্ডের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। ফলে নদীর পানি উপচে পড়েছে, নিম্নাঞ্চলগুলো তলিয়ে গেছে এবং বহু স্থানে ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে।
বিশেষ করে নাখন রাতচাসিমা, চিয়াং মাই, ফিচিত, উবন রাতচাথানি, লোপবুরি ও সুখোথাই প্রদেশে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগের (DDPM) তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) পর্যন্ত ২২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। প্রায় ১ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং হাজারো পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়েছেন।
থাই সেনাবাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীরা বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছেন। নৌকা ও হেলিকপ্টারের মাধ্যমে মানুষজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
সরকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য খাদ্য, ওষুধ ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছে।
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রোতা থাভিসিন বলেছেন, “আমরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। যেসব এলাকায় এখনো বৃষ্টি চলছে, সেসব স্থানে জনগণকে নিরাপদ স্থানে থাকার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।”
থাইল্যান্ডে প্রতিবছর মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত মনসুন মৌসুমে ভারি বৃষ্টি হয়। তবে চলতি বছরের বৃষ্টিপাত গড়ের তুলনায় অনেক বেশি বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বর্ষার ধরণ অনিয়মিত হয়ে পড়েছে, ফলে হঠাৎ ভারি বর্ষণ ও বন্যার ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।
৩০টিরও বেশি জেলায় রাস্তা ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।অন্তত ২০ হাজার হেক্টর কৃষিজমি পানির নিচে।দেশজুড়ে স্কুল ও সরকারি অফিস সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দক্ষিণাঞ্চলেও ভারি বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধারকর্মীরা এখনও বহু এলাকায় আটকে থাকা মানুষজনের সন্ধানে কাজ করছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বন্যা থাইল্যান্ডের সাম্প্রতিক ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ হতে পারে, যা দেশের অর্থনীতি ও কৃষিক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে।
সূত্র : ব্যাংকক পোস্ট
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au