শীতলক্ষ্যায় গোসল করতে নেমে তিনজনের মৃত্যু, নিখোঁজ নাতি; শোকে পাথর সুখচাঁন
মেজ জামাতা সৌদি আরব থেকে ছুটিতে দেশে এসেছেন। তাই তিন মেয়ের পরিবারকে বাড়িতে দাওয়াত করেছিলেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক মজিবুর রহমান ওরফে সুখচাঁন। দুপুরে সবাই মিলে খাওয়াদাওয়া…
মেলবোর্ন, ১৪ অক্টোবর- ইসরায়েল সফরের দ্বিতীয় দিনে ইসরায়েলি পার্লামেন্টে (কনেসেট) ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বক্তৃতায় তিনি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন এক যুগের শান্তি ও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সময় এসেছে-ঘৃণার দেয়াল ভেঙে বন্ধুত্বের সেতু গড়ার।”
সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে, ট্রাম্প তাঁর ভাষণে ইরানের দিকেও ‘বন্ধুত্বের হাত’ বাড়িয়ে দেন, যা উপস্থিত আইনপ্রণেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, “আমরা চাই না আর কোনো যুদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্র এমন এক মধ্যপ্রাচ্য চায়, যেখানে ইসরায়েল ও ইরান উভয়ই শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে হাঁটবে।”
ট্রাম্প আরও জানান, গাজা সংকটের সমাধানে ইরানের ‘গঠনমূলক ভূমিকা’ প্রত্যাশা করছে ওয়াশিংটন। তাঁর ভাষায়, “ইরান যদি শান্তির পথে আসতে চায়, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা সহযোগিতার হাত বাড়াতে প্রস্তুত।”
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পের বক্তব্যের প্রশংসা করলেও ইরানের প্রতি ইতিবাচক বার্তাকে “ঝুঁকিপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ” বলে মন্তব্য করেন। কনেসেটের কয়েকজন সদস্য ট্রাম্পের বক্তব্যের সময় প্রতিবাদ জানিয়ে সভাকক্ষ ত্যাগ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের মাটিতে দাঁড়িয়ে ইরানের প্রতি এমন প্রস্তাব ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য কূটনীতিতে বড় এক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সূত্র : রয়টার্স।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au