মেলবোর্ন, ১৮ অক্টোবর- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর নির্বাচনে ২৩টি পদে ফল ঘোষণা করা হয়েছে। তার মধ্যে ২০টিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল। বাকি তিনটি পদে জিতেছে অন্যধরনের প্যানেল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
মোট ভোটার ছিল ২৮ ৯০১ জন, যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৭ ৫৯৬ এবং মহিলা ভোটার ১১ ৩০৫।ভোটগ্রহণ হয়েছে ১৭টি কেন্দ্র থেকে।ভিপি পদে জয়ের ব্যবধান ছিল সবচেয়ে বড়: শিবির সমর্থিত প্রার্থী মোস্তাকুর রহমান জাহিদ পেয়েছেন ১২ ৬৮৭ ভোট; তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ৩ ৩৯৭ ভোট। ব্যবধান প্রায় ৯ ২৯০ ভোট।
এক-দু’টি পদে জয় আসে খুব ঘনিষ্ঠ লড়াইয়ের পর যেমন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ পেয়েছেন ৬ ৭৮০ ভোট; শিবির সমর্থিত প্রার্থী পেয়েছেন ৬ ৭৫৩ ভোট মাত্র ২৭ ভোট ব্যবধান।
শীর্ষ পদভিত্তিক লড়াইয়ে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল বাংলাদেশ ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল। ভিপি ও এজিএস পদে ছাত্রদল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল শক্তিশালী। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহউদ্দিন আম্মার, যিনি ছাত্রদলের বাইরে ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেলের মাধ্যমে উঠে এসেছেন।
এই ফলাফল থেকে বোঝা যাচ্ছে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতিতে শিবির-সমর্থিত প্যানেলের প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে। ২৩টির মধ্যে ২০টিতে জয়ী হওয়া তাদের দৃঢ় অবস্থান নির্দেশ করে। তবে স্বতন্ত্র ও বিরোধী প্রার্থীর জয় বিশেষ করে ঘনিষ্ঠ লড়াই শেষে দেখাচ্ছে যে এখনও নির্দিষ্ট পদে ভোটারদের প্রতিক্রিয়া ও বিবেচনা রয়েছে স্বাধীন ভাবে।
ভোট ব্যবধান-এর বিশালতা এবং কিছু ক্ষেত্রে নিকটবর্তী ফল দলীয় শক্তি, প্রচারপ্রচারণা, ছাত্রছাত্রীর ভোটি আগ্রহসহcampus রাজনৈতিক গতিবিধি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তোলে যেমন, কতটা ভোট স্বতন্ত্র রয়েছে, ও কতটা দলীয় প্যানেলের মাধ্যমে?
নবনির্বাচিতরা ভোটারদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে কি না বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণ, শিক্ষাগত সুযোগ, স্বরূপ-রাজনীতি ইত্যাদিতে।