নির্বাচনে ৪৫৫ মিলিয়ন ডলার ঢেলেও হার, ইলন মাস্ককে নিয়ে উপহাস
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত করতে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছিলেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ও টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। তবে শত শত…
মেলবোর্ন, ২৪ অক্টোবর- চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তা ও অব্যাহত বিমান হামলার জোরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে একাধিক এলাকা পুনরুদ্ধার করেছে। বিশেষ করে শান রাজ্যের উত্তরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শহর বিদ্রোহীদের কাছ থেকে পুনর্দখল করেছে সেনারা।
রাষ্ট্রীয় বাহিনী কিয়াউকমে (Kyaukme) ও সিপাও (Hsipaw) নামের দুটি কৌশলগত শহর দখল করেছে, যা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে ছিল। এসব অঞ্চলে বিমান হামলা, ড্রোন আক্রমণ ও ভারী গোলাবর্ষণ চালিয়ে সেনারা পুনর্দখলের অভিযান সম্পন্ন করে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সামরিক সাফল্যের পেছনে চীনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তা বড় ভূমিকা রেখেছে। তারা জানাচ্ছেন, চীন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীকে উন্নত ড্রোন প্রযুক্তি, নজরদারি ব্যবস্থা এবং বিমান হামলার পরিকল্পনায় সহায়তা দিচ্ছে।
তবে এই অভিযানে বেসামরিক নাগরিকদের প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিমান হামলার কারণে বহু মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে, এসব এলাকায় এখনো বহু মানুষ খাদ্য ও চিকিৎসা সংকটে ভুগছে।
চীন বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সীমান্তবর্তী বাণিজ্য রুট ও খনিজ সম্পদের নিরাপত্তা রক্ষাই চীনের প্রধান উদ্দেশ্য।
অন্যদিকে, বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলো জানিয়েছে, তারা পুনরায় পাল্টা আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে।
সূত্র: রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au