ঢাকা: কংক্রিটের দোজখ, মুক্তির রোডম্যাপ
মেলবোর্ন, ২৭ জুন- এক. দীর্ঘশ্বাসের শহর পঁচিশ বছরের বেশি সময় আমি ঢাকায় বসবাস করেছি। একটা প্রজন্ম। এই শহর আমাকে রুটি দিয়েছে, পরিচয় দিয়েছে। কিন্তু আজ যখন…
মেলবোর্ন, ৩০ অক্টোবর- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান শহরে অনুষ্ঠিত Asia‑Pacific Economic Cooperation summit সেশনের পার্শ্ব বৈঠকে বসে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও নিরাপত্তা ইস্যুতে এক উল্লেখযোগ্য সমঝোতায় পৌঁছেছেন। বৈঠকে ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, চীনের সঙ্গে fentanyl সংক্রান্ত আমদানি পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক ২০ % থেকে কমিয়ে ১০ % করা হবে।
ট্রাম্প বলেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে চীনের আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কমূল্য সর্বমোট হার ৫৭ % থেকে কমিয়ে ৪৭ % করা হবে।
চীন এই বিনিময়ে করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সোয়াবিন আমদানিতে বড় অংকে অংশ নিতে এবং বিরল মাটির (rare earth) রপ্তানি‑নিষেধাজ্ঞা এক বছরের জন্য স্থগিত রাখতে।
ট্রাম্প বৈঠক শেষে লিখেছেন, “৭ থেকে ১০ এর মধ্যে সংখ্যা হয়, এই বৈঠক ছিল ১২।” অর্থাৎ, তিনি এই সাক্ষাতকে অত্যন্ত সফল মনে করেছেন।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্র হয়েছে। আমদানিতে উচ্চশুল্ক‑পাল্টা শুল্ক, বিরল মাটি রপ্তানায় চীনের নিয়ন্ত্রণ l সহ অবৈধ রাসায়নিক উপাদান আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ এসব বিষয় আলোচনায় ছিল।
এই রণনীতিতে প্রথম দফায় মার্কিন শুল্ক সিংহভাগ পণ্যের ক্ষেত্রে দারুণভাবে বাড়ানো হয়েছিল, যা বাণিজ্যভিত্তিক অস্থিরতা তৈরি করেছিল। এখন এই সমঝোতা সেই চাপ কিছুটা কমিয়ে সাংকেতিক সংকেত দিচ্ছে।
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীদের জন্য শুল্কভিত্তিক খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে।চীনের সোয়াবিন কেনা ও বিরল মাটির রপ্তানির বিষয়ে ছাড় দেওয়ার ফলে কৃষি ও প্রযুক্তি সাপ্লাইচেইন‑চেইনে কিছু ছাড় পাওয়া যেতে পারে।তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন,মূল বিষয় যেমন প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও দ্বিপাক্ষিক গতানুগতিক শক্তি‑বিতর্ক এখনও অপরিষ্কার রয়েছে।বিনিয়োগ ও শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক সাড়া দেখা দিয়েছে, কারণ বাণিজ্য উত্তেজনায় কিছুটা শিথিলতা নিয়ে আসার আশায় বাজার আশা করেছে।
ট্রাম্প‑শি বৈঠকে বাণিজ্য ও নিরাপত্তার জটিল ইস্যুতে একটি অফিসিয়াল নজির স্থাপন হয়েছে-শুল্ক কমানোর চুক্তি, বিরল মাটির রপ্তানিতে ছাড় ও কৃষি আমদানিতে অংশগ্রহণ চীন স্বীকার করেছে। এই পদক্ষেপ দুই দেশের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতার পথে এক ধরনের নমনীয়তা ও সমঝোতার দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে, যদিও বহু বিষয়ে এখনও “বড় চুক্তি” তে পৌঁছায়নি।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au