শাহ আলীর মাজারে হামলা: কমিটি নাকি কোটি টাকার সম্পদ; নেপথ্যে কী?
মেলবোর্ন, ২৬ জুন- বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার মিরপুরে কয়েকশ বছরের পুরোনো শাহ আলী বাগদাদী (রহ.) মাজারে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। হামলার পর থেকে…
মেলবোর্ন, ১১ নভেম্বর- পাকিস্তানের কাইবার পাখতুনখোয়া ও দক্ষিণ ও উত্তর ওয়াজিরিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সেনাবাহিনী বৃহৎ অভিযানে নেমেছে, যেখানে একাধিক সন্দেহভাজন জঙ্গি নিহত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের বরাত দিয়ে জানা গেছে, অভিযান চলাকালীন ২০ জন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সীমান্তের অফিসিয়াল চেকপোস্ট ও গ্রামাঞ্চল লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো আফগানিস্তান সীমান্তের অবৈধ পারাপার ও সন্ত্রাসী শিবির ধ্বংস করা।
সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেন,
“আমরা সীমান্তে জঙ্গি কার্যক্রম রুখতে এবং স্থানীয় জনসাধারণকে নিরাপদ রাখতে এই অভিযান পরিচালনা করেছি। নিহতদের মধ্যে কয়েকজন আঞ্চলিক সন্ত্রাসী সংগঠনের সক্রিয় সদস্য বলে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে।”
আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যম ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, অভিযান চলাকালীন নির্দিষ্ট গ্রাম ও পাহাড়ি এলাকা লক্ষ্য করে বোমা ও গুলি বর্ষণ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা আতঙ্কে বাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।
এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,
“সেনারা রাতভর এলাকায় অভিযান চালিয়েছে। আমাদের কেউ নিরাপদ বোধ করছে না।”
সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তল্লাশি অভিযান ও জঙ্গি হামলা চলতে থাকে। আফগানিস্তান-আতঙ্কিত সীমান্ত এলাকা হওয়ায় পাকিস্তান নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক অভিযানের মাধ্যমে পাকিস্তান সেনাবাহিনী সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের উপর চাপ বাড়াতে চাচ্ছে।
আঞ্চলিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের অভিযান আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও উত্তেজিত করতে পারে।
তাদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য কেবল সামরিক অভিযান নয়, স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সমন্বিত নিরাপত্তা ও পুনর্বাসন নীতিও জরুরি।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অভিযানে ২০ জনের মৃত্যুর ঘটনা সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ ও জনমানুষের আতঙ্ককে তীব্র করেছে।
এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন ও সেনাবাহিনী বলছে, অভিযান চলাকালীন নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু নিশ্চিহ্ন করা হয়েছে, কিন্তু শান্তি স্থাপনে এখনও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে।
সূত্র : এপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au