বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ (ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স) আবারও ক্ষমতায় ফিরছে, আর কংগ্রেস–আরজেডি গটবন্ধন এবারও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পেতে ব্যর্থ হতে যাচ্ছে।
টাইমস নাউ, ইন্ডিয়া টুডে, এবিপি-সি ভোটারসহ প্রায় সবকটি বড় সমীক্ষা সংস্থার ফল অনুযায়ী,
বিহারের ২৪৩টি আসনের মধ্যে এনডিএ পাচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৬৫টি আসন,
অন্যদিকে গটবন্ধনের আসন সংখ্যা ৬৫ থেকে ৮০টির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।
বাকি আসনগুলো যেতে পারে নির্দল ও ছোট আঞ্চলিক দলের ঝুলিতে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গটবন্ধনের মধ্যে নেতৃত্ব সংকট ও সমন্বয়ের অভাব,
এবং স্থানীয় ইস্যুতে বিজেপির আগাম প্রস্তুতি-এই দুই কারণেই বিরোধীরা পিছিয়ে পড়েছে।
কংগ্রেসের প্রচারে শীর্ষ নেতৃত্বের অংশগ্রহণ থাকলেও,
স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনের দুর্বলতা ও প্রার্থি বাছাইয়ে অসন্তোষ ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিজেপি ও জনতা দল (ইউনাইটেড)-এর যৌথ প্রচারণায় এবার ‘দ্বিগুণ উন্নয়ন’ ও স্থিতিশীল প্রশাসনের বার্তা জনমানসে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একাধিক জনসভায় বিহারের উন্নয়ন প্রকল্প তুলে ধরে
“মডি-নিতীশ জুটি মানেই অগ্রগতি ও স্থিতিশীলতা” স্লোগান দেন, যা ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
নির্বাচনী কৌশলবিদ প্রশান্ত কিশোর (পিকে) এবার বিহারের কোনো দলকেই প্রকাশ্যে পরামর্শ দেননি।
রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে,
তাঁর অনুপস্থিতিতে বিরোধী শিবিরের প্রচার কার্যত দিকনির্দেশনাহীন হয়ে পড়েছিল।
নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশ পাবে আগামী বৃহস্পতিবার।
তবে এখন পর্যন্ত সব সমীক্ষা ইঙ্গিত দিচ্ছে,
বিহারে আবারও এনডিএর সরকার গঠনের পথ খুলে যাচ্ছে,
এবং কংগ্রেসের সব আয়োজন, প্রচার ও কৌশল এবারও কাঙ্ক্ষিত ফল দিতে ব্যর্থ হচ্ছে।