ওয়ান নেশনের উত্থান নিয়ে সতর্কবার্তা, অস্ট্রেলিয়ানদের ‘জেগে ওঠার’ আহ্বান
মেলবোর্ন, ২৬ জুন- অস্ট্রেলিয়ায় ডানপন্থী রাজনৈতিক দল ওয়ান নেশনের জনপ্রিয়তা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশটির গ্রিনস দলের সিনেটর পিট হুইশ-উইলসন। তিনি অভিযোগ করেছেন,…
মেলবোর্ন, ১৩ নভেম্বর- ইসরায়েল ও লেবাননের সীমান্তে উত্তেজনা নতুন করে তীব্র হচ্ছে। গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধের পাশাপাশি লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ বেড়েছে। এতে সীমান্তজুড়ে নতুন এক যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
লেবাননের সরকারি সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতভর ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের মেরজাইয়ুন ও বেন্ট জবিল এলাকায় টানা বিমান হামলা চালায়। এসব হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কিছু বসতবাড়ি ও কৃষিজমি।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা সীমান্তে থাকা ইসরায়েলি ঘাঁটিগুলোর দিকে একাধিক রকেট ও ড্রোন হামলা চালায়। এর জবাবেই বিমান হামলা করা হয়। ইসরায়েলি সেনারা বলছে, তারা হিজবুল্লাহর “গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অস্ত্রাগার” ধ্বংস করেছে।
অন্যদিকে হিজবুল্লাহ বলছে, তারা ইসরায়েলি সেনা অবস্থানে পাল্টা হামলা চালিয়েছে এবং এতে ইসরায়েলের অন্তত তিনজন সেনা আহত হয়েছে। সংগঠনটির মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, “গাজার যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে।”
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী (ইউএনআইএফআইএল) সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক হামলা আন্তর্জাতিক সীমান্ত চুক্তি লঙ্ঘন করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরায়েলের এই তীব্র হামলা কেবল হিজবুল্লাহকে নয়, পুরো লেবাননকেই নতুন এক সংঘাতের মুখে ঠেলে দিতে পারে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, গাজায় যুদ্ধ চলতে থাকলে লেবানন সীমান্তেও পূর্ণমাত্রার সংঘর্ষ শুরু হতে পারে।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাজিব মিকাতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, “ইসরায়েল যেন উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করে।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে লেবানন আবার ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে যেতে পারে।”
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইসরায়েলি হামলায় লেবাননের সীমান্ত অঞ্চলে অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে সাধারণ মানুষও রয়েছেন। হাজারো বাসিন্দা এলাকা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন। পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au