জনতার জবানবন্দি: ইউনূস সরকারের ১৮ মাসের দুঃশাসনে জাতি যা হারিয়েছিল
মেলবোর্ন, ৬ জুন- ৫ আগস্ট ২০২৪ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত—৫৪৭ দিন। ইউনূস সরকার এই ১৮ মাসের বেশি সময় ধরে দুঃশাসন চালিয়েছিল। “সংস্কার” এর নামে…
মেলবোর্ন, ১৮ নভেম্বর- বাংলাদেশের ১৬৫ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুলফিডিং কর্মসূচি চালু হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নুর মোহাম্মদ শামসুজ্জামান আজ সোমবার বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, উপস্থিতি বাড়ানো এবং শিক্ষার্থীদের পুষ্টি উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের নির্বাচিত উপজেলাগুলোতে আজ থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে ফিডিং কর্মসূচি চালু হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখা, নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং শিশুদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করা।
চলমান প্রকল্পের আওতায় ২০২৭ সাল পর্যন্ত নির্বাচিত ১৫০ উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সপ্তাহে পাঁচ দিন প্রায় ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হবে। খাবারের তালিকায় রয়েছে ফর্টিফাইড বিস্কুট, কলা বা মৌসুমি ফল, বনরুটি, সিদ্ধ ডিম এবং ইউএইচটি দুধ।
সাপ্তাহিক খাদ্যসূচি অনুযায়ী রোববার শিক্ষার্থীরা পাবে বনরুটি ও সিদ্ধ ডিম। সোমবার দেওয়া হবে বনরুটি ও ইউএইচটি দুধ। মঙ্গলবার ফর্টিফাইড বিস্কুটের সঙ্গে থাকবে কলা বা স্থানীয় মৌসুমি ফল। বুধবার এবং বৃহস্পতিবার পরিবেশন করা হবে বনরুটি ও সিদ্ধ ডিম।
মহাপরিচালক জানান, প্রস্তাবিত খাদ্যতালিকায় মোট এনার্জির ২৫ দশমিক ৯ শতাংশ, মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ৩২ দশমিক ২ শতাংশ, প্রোটিনের ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ফ্যাটের ২১ দশমিক ৭ শতাংশ সরবরাহ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তার মতে, নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার পেলে শিক্ষার্থীরা স্কুলমুখী হবে এবং লেখাপড়ায় মনোযোগী থাকবে। এর সঙ্গে খেলাধুলা, সংগীত, বিতর্ক এবং বক্তৃতার মতো সহশিক্ষা কার্যক্রম শিশুর মানসিক ও চারিত্রিক বিকাশে ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও বলেন, নিয়মিত স্কুলে গেলে শিশুরা শৃঙ্খলার মধ্যে আসে এবং সামাজিকতায় অভ্যস্ত হয়।
মহাপরিচালক আশা প্রকাশ করেন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচি অব্যাহত থাকলে ছোট শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au