লিমনের পর এবার বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার
মেলবোর্ন, ২ মে- যুক্তরাষ্ট্রে আলোচিত দ্বৈত হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি-র মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর আগে একই ঘটনায় জামিল আহমেদ লিমন-এর মরদেহও উদ্ধার…
মেলবোর্ন, ২০ নভেম্বর- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ছয় আসামির যাবজ্জীবন দণ্ডও বহাল রাখা হয়েছে। আজ বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় প্রকাশ করেন।
হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন।
এর আগে ২ জুন হাইকোর্ট মৌখিকভাবে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার সিদ্ধান্ত দেন। আজ সেটির পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলো। রায়ে প্রত্যেক আসামির ওপর ৫০ হাজার টাকার জরিমানাও বহাল রাখা হয়েছে। যারা যাবজ্জীবন দণ্ডে দণ্ডিত তারা হলেন টেকনাফ থানার সাবেক এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল রুবেল শর্মা, সাগর দেব, বাহারছড়ার নুরুল আমিন, মোহাম্মদ আইয়াজ এবং মো. নিজাম উদ্দিন।
এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষ হয় ২৯ মে।
২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের শামলাপুর চেকপোস্টে লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন মেজর সিনহা। পাঁচ দিন পর তাঁর বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস আদালতে মামলা করেন। একই বছরের ডিসেম্বর মাসে র্যাব ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এতে হত্যাকাণ্ডটিকে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করা হয়।
২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রথম রায় ঘোষণা করেন। সেখানে ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতের মৃত্যুদণ্ড এবং আরও ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সাত আসামি খালাস পান। পরে মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করতে মামলাটি ডেথ রেফারেন্সসহ হাইকোর্টে আসে এবং দণ্ডিতরা আপিল করেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au