বাংলাদেশ

এক্সক্লুসিভ:

শিক্ষক অপমান কাণ্ডে বিচারপতির বিরুদ্ধে তোলপাড়; উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলে কী ঘটেছিল?

শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালকে অপমানের অভিযোগে বিচারপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে পদক্ষেপ

  • 8:48 pm - May 01, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৩২৭ বার
বামে বিচারপতি মো. আলী রেজা, ডানে শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পাল। ছবি: সংগৃহীত

মেলবোর্ন, ১ মে:  সম্মানিত এক শিক্ষককে শুধু বাসায় ডেকে অপমানই নয়, জোরপূর্বক ক্ষমা চাওয়ানোর অভিযোগে টালমাটাল রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ। ঘটনাটি আলোর মুখে এনেছে স্কুলটির একটি ফেসবুক গ্রুপের পোস্ট। আর সেই পোস্টের সত্যতা যেন নিশ্চিত করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পাল নিজেই। দৈনিক শিক্ষাডটকমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, কীভাবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. আলী রেজার বাড়িতে তাকে হেনস্তা করা হয়েছে। শিক্ষক মহলে এ ঘটনায় ক্ষোভের সীমা ছাড়িয়েছে। ‘হ্যালো উইলিয়ামস’ নামের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত বিবরণ অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত ক্লাসরুমেই। তবে বিচারপতি ও স্কুল কর্তৃপক্ষ যা বলছে, তাতে গল্প দুই ধারায় বইছে। একপক্ষে রয়েছে লজ্জাজনক যৌন হয়রানি, অন্যপক্ষে রয়েছে কোচিং না নিয়ে মারধরের অভিযোগ।

৩০ এপ্রিল অধ্যাপক ও গবেষক জহরত আরা ফেসবুকে একটি সতর্কবার্তা দেন। তিনি লেখেন, ‘সাবধান শিক্ষক! ঘটে যাওয়া ঘটনাটি গোটা জাতির জন্য ভয়ংকর!’ তিনি ইসকন সন্ত্রাসী-হিন্দু শিক্ষক বনাম বিচারপতি এই গল্পকে ‘মিথ্যা’ আখ্যা দিয়ে বলেন, একজন সংখ্যালঘু ধর্মের বিজ্ঞান শিক্ষক এতটা বোকা নন যে বিচারপতির ছেলেকে নির্যাতন করবেন। তিনি অভিযোগ করেন, কুলাঙ্গার সন্তানের অপরাধ ঢাকতে ভিকটিম ব্লেমিং করা হচ্ছে।

টাইমলাইন: উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলে ঠিক কী ঘটেছিল?

গত ১৫ এপ্রিল ক্লাসরুমের ঘটনা দিয়ে শুরু হয় এই কাহিনী। ফেসবুক পোস্টের বরাতে বলা হয়, দয়াল স্যার ক্লাস টেনের একটি ক্লাস নিচ্ছিলেন। উপস্থিত এক বিচারপতির ছেলে বারবার একটি বাংলা লাইনের অর্থ বুঝতে না পেরে স্যারকে বিরক্ত করেন। স্যার বিনয়ের সঙ্গে বলেন তিনি মূলত ফিজিক্সের শিক্ষক, তবে ছেলেটি নাছোড়বান্দা ছিল। একপর্যায়ে অভিযোগ ওঠে, ছাত্রটি অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে স্যারের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং আকস্মিকতায় স্যার তাকে থাপ্পড় মারেন। ভুক্তভোগী শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পাল দৈনিক শিক্ষাডটকমকে জানান, ছাত্রের আচরণগত উত্তেজনার কারণেই তিনি শাসন করেন এবং পরে শিক্ষার্থী বাসায় গিয়ে ঘটনার ভিন্ন ব্যাখ্যা দেয়।

এর পরের দিন ১৬ এপ্রিল ঘটে ফোনালাপ ও বিচারপতির হস্তক্ষেপ। শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পাল বিকেল ৩টা ৩৬ মিনিটে বিচারপতি আলী রেজাকে ফোন করেন। জিডি সূত্রে জানা যায়, তিনি বিচারপতিকে বলেন, ‘আপনি কি নাঈমের বাপ? আপনি স্কুলে আসেন।’ কোর্টে থাকায় বিচারপতি তখন যেতে পারেননি। বিচারপতি দাবি করেন, তিনি শিক্ষককে পরপর চারবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি এবং পরে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আ ন ম শামসুল আলম খানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। অভিযোগ ওঠে, প্রিন্সিপাল সত্যতা যাচাই না করেই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেন এবং দয়াল স্যারকে বিচারপতির বাসায় পাঠান।

ছেলেটির মা সরাসরি স্যারকে বলেন, ‘এই তুই, ওর পা ধরে এখনই মাফ চা!’ তাকে জোরপূর্বক ছেলের কাছে ক্ষমা চাওয়ানো হয় এবং ভয় দেখানো হয় ফৌজদারী মামলার।

সবচেয়ে নাটকীয় ঘটনা ঘটে ১৮ এপ্রিল, বিচারপতির বাসভবনে। বিকেলে শিক্ষক দয়াল ও সহকারী শিক্ষক মো. নাসির বিচারপতি আলী রেজার বাসভবনে যান। ফেসবুক পোস্ট ও শিক্ষকের বক্তব্য অনুযায়ী, সেখানে স্যারকে অসম্মানজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। অভিযোগ, ছেলেটির মা সরাসরি স্যারকে বলেন, ‘এই তুই, ওর পা ধরে এখনই মাফ চা!’ তাকে জোরপূর্বক ছেলের কাছে ক্ষমা চাওয়ানো হয় এবং ভয় দেখানো হয় ফৌজদারী মামলার। তবে বিচারপতি পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। ঢাকা টাইমস সূত্র ও জিডিতে বলা হয়েছে, শিক্ষকরা নিজেদের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং পুনরাবৃত্তি হবে না বলে আশ্বস্ত দেন। বিচারপতি বিষয়টি সেখানেই সমাধান মনে করেন এবং তাঁর ছেলে নাঈম শিক্ষকদের লিফট পর্যন্ত এগিয়ে দেয়।

ঘটনার পরদিন ১৯ এপ্রিল নাঈম স্কুলে এলে অভিযোগ ওঠে, তাঁর সহপাঠী সানজিদ ও ফাহিম তাকে চড়-থাপ্পড় ও লাথি মারে। এছাড়া নাহিয়ান ও রোহানসহ আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে জীবননাশের হুমকি দেয় বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সন্তানের নিরাপত্তার কথা ভেবে বিচারপতি আলী রেজা অধ্যক্ষের কাছে টিসি চান এবং ২১ এপ্রিল নাঈমকে অন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানো হয়।

উইলস লিটল ফ্লাওয়ারের ৫ শিক্ষার্থীর লিখিত অভিযোগ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জমা। ছবি: সংগৃহীত

এরইমধ্যে ২৬ এপ্রিল উইলস লিটল ফ্লাওয়ারের ৫ শিক্ষার্থী সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। এদিন বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন উইলস লিটল ফ্লাওয়ারের শিক্ষার্থীরা। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ সামসুল আলম তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। লিখিত অভিযোগে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, ‘উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা মাধ্যম দিবা শাখার সহকারী শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজ বাসায় ডেকে নিয়ে হেনস্তা করে একজন শিক্ষকের পেশাগত মর্যাদা ও মানবিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন করেছেন বিচারপতি আলী রেজা। অন্যদিকে বিচারপতি আলী রেজার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মো. আশিকুর রহমান রমনা থানায় জিডি করেন, যেখানে তাকে সামাজিক মাধ্যমে হুমকি ও ভুক্তভোগী শিক্ষকের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ আনা হয়।

শিক্ষক ‘হেনস্তার’ অভিযোগে বিচারপতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, স্মারকলিপি। ছবি: সংগৃহীত

বিষয়টি নিয়ে এখন সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড়। ৩০ এপ্রিল অধ্যাপক ও গবেষক জহরত আরা ফেসবুকে একটি সতর্কবার্তা দেন। তিনি লেখেন, সাবধান শিক্ষক! ঘটে যাওয়া ঘটনাটি গোটা জাতির জন্য ভয়ংকর!’ গত ১৬ তারিখে উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালের সাথে যা ঘটেছে, তা খালি চোখে, এমনকি চোখ বুঁজেও বলে দেয়া যাবে, মূল অপরাধটি কি ছিল! কে মূলতঃ অপরাধী। কিন্তু এর মধ্যে মিথ্যা মিশিয়ে গল্প সাজাতে এগিয়ে এলো কিছু ফেইসবুক পোস্টদাতা। যেমন, একজন বিচারপতির পক্ষ নিয়ে বলছে, ‘ইসকন সন্ত্রাসী হিন্দু শিক্ষকের নির্যাতন থেকে নিজের সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে আজ চাকরি হারাচ্ছেন উচ্চ আদালতের বিচার পতি’। পদার্থ বিজ্ঞানের শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালের নাকি ইচ্ছা ছিল বিচারপতির ছেলেকে নিজের কোচিং এর ছাত্র বানানোর। সে রাজি না হওয়ায় নাকি শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পাল তাকে মারধোর করেছেন। তাই বিচারপতি শিক্ষককে বাড়িতে ডেকে ছাত্রের কাছে মাফ চাইতে বাধ্য করে। মিথ্যা গল্পটির ফাঁক ফোকর দেখুন। দয়াল চন্দ্র পাল এদেশের একজন সংখ্যালঘু ধর্মের মানুষ। ঐ ছাত্র একজন উচ্চ আদালতের বিচারপতির সন্তান। একজন বিজ্ঞানের শিক্ষকের মাথা এতটা খারাপ হয়ে যায়নি যে তিনি এরকম একটা অবস্থা, অবস্থান ভুলে, অদ্ভুত অপ্রকৃিতস্থ আচরণ করবেন। কুলাঙ্গার সন্তানের অপরাধ ধামাচাপা দিতে গিয়ে বরং বিচারপতি একটার পর একটা অপরাধ করে যাচ্ছে। বিকৃত, অশোভন আচরণ, শিক্ষককে অপমান -এগুলোর জন্য সন্তানকে শিক্ষকের কাছে ক্ষমা চাইতে না বলে, উল্টো শিক্ষকের দূর্বল সামাজিক, ধর্মীয় অবস্থানকে ব্যবহার করে Victim blaming (আক্রান্তকে দোষী) সাব্যস্ত করে মিথ্যা দিয়ে একটা ভয়ংকর অপরাধকে ঢাকার চেষ্টা করছে। বিষয়টি একবার ভাবুন। আজও প্রভাবশালীরা সমাজপতি হয়ে সমাজের মূল্যবোধগুলোকে ইচ্ছে মতন গুড়িয়ে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ক্ষমতার তর্জনী দিয়ে সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকাকে কঠিন করে তুলছে। শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পাল তাঁর জ্ঞান দিয়ে, নিষ্ঠা দিয়ে দিনের পর দিন মানুষ গড়েছেন। তাঁর স্নেহ আর দায়িত্ববোধ থেকে সকল শিক্ষার্থীদের সাপোর্ট দিয়েছেন। আর এক অসম সমাজব্যবস্থায় তাঁকে আজ যে পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে, তা কিন্তু শুধু তাঁর জন্য নয়, সকল শিক্ষকের জন্য এক ভয়ংকর বার্তা। জাতির ভবিষ্যত অন্ধকার হয়ে পড়ার বার্তা।

তিনি ইসকন সন্ত্রাসী-হিন্দু শিক্ষক বনাম বিচারপতি এই গল্পকে ‘মিথ্যা’ আখ্যা দিয়ে বলেন, একজন সংখ্যালঘু ধর্মের বিজ্ঞান শিক্ষক এতটা বোকা নন যে বিচারপতির ছেলেকে নির্যাতন করবেন। তিনি অভিযোগ করেন, কুলাঙ্গার সন্তানের অপরাধ ঢাকতে ভিকটিম ব্লেমিং করা হচ্ছে।

 শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালের অভিযোগ, স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেওয়ার ঘটনার পর শাসন করায় তাকে বিচারপতি ও তাঁর স্ত্রীর দ্বারা ‘পায়ে হাত দিয়ে মাফ চাওয়াসহ’ নানাভাবে অপমানিত হতে হয়েছে। অপরদিকে বিচারপতি মো. আলী রেজার পক্ষ থেকে জিডি ও সূত্রের বরাতে দাবি করা হচ্ছে, শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পালের কাছে নাঈম প্রাইভেট পড়ত এবং প্রাইভেট ছেড়ে দেওয়ায় সে শিক্ষকের বিরাগভাজন হয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। বিচারপতি আলী রেজা অবশ্য এ ব্যাপারে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সুপ্রিম কোর্ট সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বিষয়টি প্রশাসকীয় মহলে আলোচিত হচ্ছে।

এদিকে জানা গেছে, এই ঘটনার পর থেকে শিক্ষক দয়াল চন্দ্র পাল তীব্র মানসিক চাপ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি সহকর্মীদের কাছে ঘটনাটি খুলে বলে ‘মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন। একটি সম্মানজনক পেশায় থেকে যেভাবে তাকে অপদস্থ করা হয়েছে, তাতে তিনি সংসার ও কর্মজীবন নিয়ে গভীর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। অনেকেই মনে করছেন, একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকের প্রতি এই আচরণ মানবিক মূল্যবোধের চরম অবমাননা এবং এটি ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি ভয়াবহ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

 

রিপোর্টটি ফেসবুক পোস্ট, দৈনিক শিক্ষাডটকম, ঢাকা টাইমস ও সুপ্রিম কোর্ট সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

এই শাখার আরও খবর

নতুন হামলার জেরে হরমুজ প্রণালিতে কমেছে জাহাজ চলাচল

মেলবোর্ন, ২২ জুলাই:  যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলার পর নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আরও…

সাত মাসের শিশু কন্যাকে আছড়ে হত্যার মামলায় বাবা গ্রেপ্তার

মেলবোর্ন, ২২ জুলাই: রাজধানীর উত্তরার সিরাজ মার্কেট এলাকায় সাত মাস বয়সী শিশুকন্যাকে আছড়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বাবা কবির ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন…

জাবি মেডিক্যাল সেন্টারে ২১ দিনে প্রায় ২০ হাজার ওষুধের গরমিল

মেলবোর্ন, ২২ জুলাই- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মেডিক্যাল সেন্টারে মাত্র ২১ দিনের ব্যবধানে প্রায় ১৯ হাজার ৫৬৭ পিস ওষুধের গরমিল ধরা পড়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ ক্রয় কমিটির…

৯ জেলায় বন্যার শঙ্কা, আগামী ২৪-৪৮ ঘণ্টায় প্লাবিত হতে পারে নিম্নাঞ্চল

মেলবোর্ন, ২২ জুলাই- আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অন্তত ৯ জেলায় বন্যার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। একই সঙ্গে…

মন্দিরে নেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, নারীসহ গ্রেপ্তার ৩

মেলবোর্ন, ২২ জুলাই:  ভারতের কর্নাটকের দেবনাহাল্লিতে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণের পর জোরপূর্বক মদ খাইয়ে এক নির্মাণাধীন ভবনে সারা রাত সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও নির্যাতনের ঘটনা…

দিল্লিতে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক, মোদীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ

মেলবোর্ন, ২২জুলাই- ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au