চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ২৫ নভেম্বর- অস্ট্রেলিয়ার এক অত্যন্ত দূরবর্তী অঞ্চলে প্রথমবারের মতো অত্যন্ত সংক্রামক এইচ৫ বার্ড ফ্লু পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
অক্টোবরে পরিবেশ ব্যবস্থাপনা দলের সফরে বিজ্ঞানীরা হার্ড দ্বীপে অস্বাভাবিকভাবে বেশি সংখ্যায় এলিফ্যান্ট সিলের মৃত্যু লক্ষ্য করেন। দ্বীপটি পার্থের দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রায় চার হাজার কিলোমিটার দূরে এবং অ্যান্টার্কটিকার উত্তরে প্রায় ১৭০০ কিলোমিটার দূরে। তবে পেঙ্গুইন ও সামুদ্রিক পাখির মতো অন্যান্য প্রাণীর ওপর এর কোনো প্রভাব দেখা যায়নি।
মৃত এলিফ্যান্ট সিলের নমুনা পরীক্ষা করে এখন নিশ্চিত হওয়া গেছে যে তাদের মধ্যে এইচ৫ বার্ড ফ্লু ছিল।
অস্ট্রেলিয়ার কৃষিমন্ত্রী জুলি কলিন্স বলেন, উপঅ্যান্টার্কটিক দ্বীপগুলোতে সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাবের কারণে এ ফলাফল অপ্রত্যাশিত নয়। এটি অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ডে সংক্রমণের ঝুঁকি বড় কোনো পরিবর্তন করছে না। তবে এ শনাক্তকরণ দেশের বায়োসিকিউরিটির গুরুত্ব আরও একবার মনে করিয়ে দেয়।
তিনি বলেন, “হার্ড আইল্যান্ডে এইচ৫ বার্ড ফ্লু পাওয়া গেলেও এটি অস্ট্রেলিয়ার ঝুঁকি খুব বাড়াচ্ছে না। কিন্তু সম্ভাব্য কোনো প্রাদুর্ভাবের জন্য প্রস্তুত থাকার প্রয়োজনীয়তা জোরালো হচ্ছে।”
পরিবেশমন্ত্রী মারে ওয়াট বলেন, এই নিশ্চিতকরণ দেখায় যে ঝুঁকিতে থাকা প্রজাতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় যেসব কাজ চলছে সেগুলো আরও গুরুত্বের সঙ্গে এগিয়ে নেওয়া জরুরি।
আরও তথ্য সংগ্রহের জন্য অস্ট্রেলিয়ান বিজ্ঞানীরা হার্ড দ্বীপে দ্বিতীয় দফা ভ্রমণে রয়েছেন। তারা ডিসেম্বরের শেষ দিকে পৌঁছানোর কথা এবং ফেব্রুয়ারিতে হোবার্টে ফিরবেন।
বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, এশিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকায় ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়লেও এতদিন অস্ট্রেলিয়া একমাত্র বড় ভূখণ্ড ছিল যেখানে এ ভাইরাস প্রবেশ করেনি। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবার অ্যান্টার্কটিকায় এটি শনাক্ত হয়, যা দেখে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেছিলেন এটি অস্ট্রেলিয়াতেও পৌঁছাতে পারে।
সম্ভাব্য প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় প্রস্তুতির অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া সরকার ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে। গবেষকেরা বিশ্বজুড়ে ভাইরাসটির গতিপথ নজরে রাখছেন। রাজ্য ও অঞ্চল সরকারগুলোও সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ প্রজাতিগুলোকে টিকে থাকতে সহায়তা করছে।
বসন্তকালে দক্ষিণ দিক থেকে অভিবাসী পাখিরা অস্ট্রেলিয়ায় আসে, যা পরিস্থিতিকে আরও স্পর্শকাতর করে তোলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, একবার এইচ৫ বার্ড ফ্লু অস্ট্রেলিয়ায় ঢুকে পড়লে তা থামানো বা নির্মূল করা সম্ভব হবে না। ভাইরাসটি দেশের বন্য প্রাণী ও কৃষি খাতে ভয়াবহ প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্রঃ নাইন নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au