সময়ের খেয়া
মেলবোর্ন, ২৫ জুন- ইতিহাসের পাতা উল্টালে প্রথমেই যে নামটা জ্বলজ্বল করে ওঠে, সে নাম—বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন। রোজ গার্ডেনে জন্ম নেওয়া একটা…
মেলবোর্ন, ২৯ নভেম্বর- শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় দিতওয়া আঘাত হানার পর প্রবল বর্ষণ থামেনি, আর তার ফলে তৈরি হয়েছে ভয়াবহ বন্যা। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১২৩ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। নিখোঁজ আছেন আরও ১৩০ জন।
ঘূর্ণিঝড়ের পর টানা বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে। কলম্বোর কাছে ভারত মহাসাগরে মিশে যাওয়া কেলানি নদী তীর উপচে পড়ার পর পানি শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঢুকে যায়। পানিতে আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধারে সেনাবাহিনী নৌকা ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করছে।
ডিএমসির মহাপরিচালক সাম্পাথ কোটুওয়েগোদা জানিয়েছেন, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলমান। সপ্তাহজুড়ে ভারী বর্ষণে বিপুল সংখ্যক ঘরবাড়ি ধ্বংস হওয়ায় প্রায় ৪৩ হাজার ৯৯৫ জনকে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি এখন শ্রীলঙ্কা পেরিয়ে ভারতের দিকে সরে যাচ্ছে, তবে সশস্ত্র বাহিনী এখনও ত্রাণ কার্যক্রমে যুক্ত আছে।
বুধবার ঘূর্ণিঝড়টি সরাসরি আঘাত হানার পর দ্বীপজুড়ে রেকর্ড বৃষ্টি শুরু হয়। টানা বর্ষণে বিভিন্ন জেলার বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ৪৪ হাজার মানুষকে রাষ্ট্র পরিচালিত কল্যাণকেন্দ্রে আশ্রয় নিতে হয়েছে। হেলিকপ্টার ও নৌবাহিনীর নৌকা দিয়ে অসংখ্য উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছে।
ডিএমসির তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা মধ্যাঞ্চল। সেখানকার অধিকাংশ মৃত্যু ঘটেছে পাহাড়ধসে মাটিচাপা পড়ে। কাদার ধস ও বন্যায় অন্তত তিন হাজার বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হয়েছে ১৮ হাজারের বেশি মানুষকে।
বন্যার কারণে কলম্বোর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হয়। রেল লাইনের পাশের কিছু এলাকায় পানি ওঠায় শনিবার সকাল থেকে মেইন লাইনের কয়েকটি ট্রেনের যাত্রা স্থগিত রাখা হয়।
এর আগেও শ্রীলঙ্কা কয়েক দফা প্রাকৃতিক দুর্যোগে বড় ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে। ২০২৪ সালের জুনে বৃষ্টিতে ২৬ জনের মৃত্যু হয়, আর ডিসেম্বরের বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণ যায় ১৭ জনের।
সূত্রঃ আল জাজিরা
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au