চাঁদা না পেয়ে কক্সবাজারে গণেশ পালকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ৮ মার্চ- কক্সবাজার শহরে বাড়ি নির্মাণের চাঁদা না দেওয়ার জেরে গণেশ পাল (২৯) নামে এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ মার্চ)…
মেলবোর্ন, ১ ডিসেম্বর-ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে ভয়াবহ বন্যার পর খাদ্য ও পানির তীব্র সংকটে টিকে থাকার জন্য লুটপাটে নেমেছেন কিছু বাসিন্দা। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলা এই দুর্যোগে উত্তর ও পশ্চিম সুমাত্রা এবং আচেহ অঞ্চলে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে উঠেছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, দুর্যোগের চাপে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে খাবার, পানি, ওষুধ এবং গ্যাস সংগ্রহের জন্য দোকানভাঙার মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে।
রবিবার সরকারি হিসাব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৪০২ জন। বন্যা এবং ভূমিধসের কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বহু এলাকা। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ২ লাখ ৯০ হাজারের বেশি মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সড়কপথ ও যোগাযোগব্যবস্থা, যার ফলে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
উত্তর সুমাত্রার সিবোলগা শহর ও সেন্ট্রাল তাপানুলি এলাকায় ত্রাণ পৌঁছাতে দেরি হওয়াই পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, কোমরসমান পানির মধ্যে দিয়ে মানুষ ধ্বংসাবশেষ পেরিয়ে খাবার ও প্রয়োজনীয় জিনিস সংগ্রহে চেষ্টা করছেন।
পুলিশের মুখপাত্র ফেরি ওয়ালিনতুকান জানিয়েছেন, শনিবার রাতে বেশ কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর ও চুরির ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, ত্রাণ পৌঁছানোর আগেই মানুষ আতঙ্কে এই কাজে যুক্ত হয়। স্থানীয়রা জানতেন না যে সাহায্য আসছে এবং অনাহারে পড়ার ভয়ে তারা মরিয়া হয়ে ওঠেন।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাকার্তা থেকে ১১টি হেলিকপ্টার দুর্গত এলাকাগুলোতে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব টেডি ইন্দ্রা উইজায়া জানান, সড়ক বিচ্ছিন্ন হওয়ায় আকাশপথ এবং নদীপথে ত্রাণ পাঠানো হচ্ছে। চারটি নৌবাহিনীর জাহাজও উদ্ধার তৎপরতায় যুক্ত হয়েছে।
এদিকে শ্রীলঙ্কায় টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৯৩ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ২২৮ জন। দেশটির বিভিন্ন অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন প্রায় দেড় লাখ মানুষ। গত সপ্তাহের দুর্যোগে ঘরবাড়ি, রাস্তা ও ফসলের জমি ডুবে যায়, বিশেষ করে মধ্যাঞ্চলের চা বাগান এলাকাগুলোতে বড় ধরনের ভূমিধস দেখা দেয়।
শ্রীলঙ্কার আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, পূর্ব সমুদ্রে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহ ভারতের দক্ষিণ উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে।
সুত্রঃ এপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au