এক সংস্কৃতির বিতর্কে উত্তাল অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতি
মেলবোর্ন, ১৯ জুন- অস্ট্রেলিয়ায় বহুসংস্কৃতিবাদ নাকি একক সাংস্কৃতিক পরিচয়-এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়ে উঠেছে। ডানপন্থি রাজনৈতিক দল ওয়ান নেশনের নেতা পলিন…
মেলবোর্ন, ৭ ডিসেম্বর- সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজধানীর নিকুঞ্জ ১ এলাকায় সাজসজ্জা ও সৌন্দর্যবর্ধনের নামে রাষ্ট্রের ২৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে এবং তিনি ক্ষমতার প্রভাব ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য এই কাজগুলো করিয়েছেন। রোববার দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দুদক বলছে, তারা ব্যক্তির পরিচয় দেখে নয়, অভিযোগের বস্তুনিষ্ঠতা বিবেচনা করেই অনুসন্ধান শুরু করে। যাচাই বাছাই শেষে অভিযোগটিকে আমলে নেওয়া হয়েছে। নিকুঞ্জের লেকড্রাইভ রোডের ৬ নম্বর প্লটে অবস্থিত তিনতলা ডুপ্লেক্স বাড়িতে ২০২৩ সালে দায়িত্ব শেষে ওঠেন আবদুল হামিদ। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই বাড়ির দুই পাশের রাস্তা বাঁধিয়ে ওয়াকওয়ে তৈরি, নান্দনিক ডেক ও ঝুলন্ত ব্রিজ নির্মাণ, খালের পাড়ে উন্নত ল্যাম্পপোস্ট বসানোসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজ তার সুবিধা বিবেচনায় করা হয়। এসব কাজে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে। খাল সংস্কারের অংশ হিসেবে রাজউকের প্রকল্পেও বাড়তি ব্যয়ের অভিযোগ উঠেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তিনি নিকুঞ্জের বাড়ি ছেড়ে যান। তার আগেই পুরো এলাকাটি নিরাপত্তার আওতায় ছিল এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশে কড়াকড়ি ছিল। বর্তমানে বাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে।
রাজউক সূত্র জানায়, আবদুল হামিদ ১৯৯৭ সালে এমপি কোটায় তিন কাঠার প্লট বরাদ্দ পান এবং পরে সেখানে বাড়ি নির্মাণ করেন। শুধু তিনি নন, নিকুঞ্জ এলাকায় পূর্বের সরকারদলীয় বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি, সাবেক এমপি, মন্ত্রী, কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও ঘনিষ্ঠজনদের বহু বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ এখন দেশে নেই বলে জানা গেছে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে সাবেক রাষ্ট্রপতিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত খুবই বিরল। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রথম ব্যক্তি যিনি দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত হয়ে দোষী সাব্যস্ত হন। এবার দ্বিতীয়বারের মতো আরেক সাবেক রাষ্ট্রপতি দুদকের মুখোমুখি হচ্ছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au